Alexa পাঁচ পরিবারের সম্পত্তি দখলে মরিয়া প্রভাবশালী চক্র! 

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৭ ১৪২৬,   ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

পাঁচ পরিবারের সম্পত্তি দখলে মরিয়া প্রভাবশালী চক্র! 

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:০৭ ২৭ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

বাগেরহাটের শরণখোলায় উত্তারাধিকার সূত্রে পাওয়া পাঁচটি পরিবারের বসতভিটাসহ সব সম্পত্তি দখল করে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। 

ওই চক্রের রোষানল থেকে বাঁচতে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শরণখোলা থানা ও জেলা বিজ্ঞ আদালতে পৃথক পৃথক আবেদন করেও পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অসহায় পরিবারের সদস্যদের ফাঁসাতে একের পর এক গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন ওই প্রভাবশালী চক্র। 

উপজেলার মধ্য নলবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আলী আকব্বরের ছেলে দিনমজুর ইব্রাহীমসহ সাতজন বাদী হয়ে ২০১৯ সালে জেলা আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় স্থানীয় বাসিন্দা লাল মিয়া হাওলাদার, আব্দুর রশিদ শিকদার, আলতাফ হাওলাদারসহ অর্ধশত ব্যক্তিকে বিবাদী করা হয়।

ইব্রাহীম হাওলাদার জানান, ৪ নম্বর বানিয়াখালী মৌজার, সি.এস-৩৯৫ খতিয়ান অধীনস্থ বিভিন্ন খতিয়ানে ৪৫ দশমিক ১৩ একর সম্পত্তি তাদের পূর্ব পুরুষের। কিন্তু প্রভাবশালীরা ওই জমি দখল করে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে নুতন করে কতিপয় লোককে ভাড়া করে নানা ভয়ভীতি দেখানো শুরু করে। তাদের নানা রকম হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে তারা এসপির কাছে নুতন করে একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি গভীর রাতে প্রতিপক্ষরা স্থানীয় বাসিন্দা মনির হাওলাদার, ছগির হাওলাদার, বারেক শিকদার, ইলিয়াছ তালুকদার, ইউনুছ হাওলাদার ও চুন্নু সিপাইসহ ৭-৮ জন মুখোশধারী র‌্যাব-৬ পরিচয়ে তাকে এবং তার চাচাতো ভাই লুৎফরকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। তারা তাকে এবং তার চাচাতো ভাইকে প্রতিবেশী শেফালী বেগমের বাড়িতে নিয়ে যায়। তার বাবা চাঁন মিয়াকে ঘুম ডেকে থেকে তোলেন।

পরে ওই ঘরে তাদের তিনজনকে একত্রে দাঁড় করিয়ে মামলা তুলে নেয়ার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং জমিজমা ছেড়ে অল্প দিনের মধ্যে এলাকা ত্যাগ করতে বলে। ত্যাগ না করলে তাদের ক্রস ফায়ারে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। ওই সময় গৃহকর্তী শেফালী সংশ্লিষ্ট থানাসহ প্রসাশনের বিভিন্ন স্থানে ফোন করলে র‌্যাব পরিচয় দেয়া ব্যক্তিরা দ্রুত চলে যান । 

পরে লুৎফর গত ১১ জানুয়ারি শরণখোলা থানায় জিডি ও ২১ জানুয়ারি এসপির কাছে একটি অভিযোগ করেন। 

এ ব্যাপারে জানতে বিবাদীদের পক্ষে লাল মিয়া হাওলাদার মুঠোফোনে বলেন ,ওই দিন রাতে শেফালীর বাড়িতে জমি নিয়ে উভয়পক্ষের কথাবার্তা হয়েছে। তবে কোনো র‌্যাব আসেনি।

এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার ওসি এস কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন,  এসপির নির্দেশ অনুযায়ী বিষয়টির তদন্ত চলছে। বাদী-বিবাদীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ