পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহক!

ঢাকা, সোমবার   ০৬ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৩ ১৪২৭,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহক!

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৫৮ ৩ জুন ২০২০   আপডেট: ২২:০০ ৩ জুন ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাগেরহাটের শরণখোলায় পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) কর্তৃপক্ষের অনুমান নির্ভর বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। 

গ্রাহকদের কাছে পবিসের সরবরাহ করা বিলের সঙ্গে মিটার রিডিংয়ের কোনো মিল নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিল ২-৩ গুণ ও করা হয়েছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৮০ সালে এ অঞ্চলে পিডিপির বিদ্যুৎ দিয়ে সেবা শুরু হয়। যা পরবর্তীতে পল্লী বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে উপজেলা জুড়ে বিদ্যুৎ সেবার কার্যক্রম চালাচ্ছে পবিস। গ্রাহক সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে মিটার রিডিং না দেখে একত্রে তিন মাসের বিল গ্রাহকদের মাঝে সরবারহ করলে সেবার মান নিয়ে এক প্রকার  হৈ-চৈ পড়ে উপজেলা জুড়ে।

উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজারের বাসিন্দা মো. বাবু হাওলাদার  বলেন, আগের চেয়ে আমার ঘরের বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ করা হয়েছে এবং বিলের সঙ্গে মিটার রিডিংয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।  

একই এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এপ্রিল মাসের বিল হাতে পেয়ে দেখি ১৯০ ইউনিটের বিল করা হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত মিটারে ১৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়নি। এখন অতিরিক্ত বিলের টাকা কে দেবে?

এছাড়া প্রবাসী রিপন হাওলাদারের স্ত্রী এবং বাজার ব্যবসায়ী ইউনুচ আকন বলেন, করোনার কারণে আমাদের বাড়ি ও দোকান প্রায় তিন মাস বন্ধ ছিল তারপরও বহু টাকা বিল দিয়ে গেছে। এখন তা পরিশোধ করব কীভাবে?

মান্নান মার্কেটের পরিচালক মো. হেলাল তালুকদার বলেন, অনুমান ভিত্তিক  বিলের কারণে আমার বাসা-বাড়ি ও মার্কেটের বিল অন্য মাসের তুলনায় দ্বিগুণ ধরা হয়েছে।

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

খোন্তাকাটা এলাকার  বাসিন্দা শিরিন আক্তার বলেন, আমার বাড়ির এপ্রিল মাসের বিলে মিটার রিডিং ধরা হয়েছে ৪৪০ ইউনিট কিন্তু বিল হাতে পাবার পরে মিটারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখি ২৩৫ ইউনিট।

এ বিষয়ে পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শরণখোলা অফিসের এ জি এম  আশিক মাহামুদ চৌদুরী বলেন, করোনা মহামারির কারণে অন্য মাসের বিলের সঙ্গে তুলনা করে অনুমান ভিত্তিক বিল করা হয়েছে। কারো বিলে অতিরিক্ত ইউনিট লেখা হলে তা অফিসে নিয়ে আসলে সংশোধন করে দেয়া হবে। এছাড়া কেউ বিলের টাকা বেশি দিয়ে থাকলে পরিস্থিতির উন্নতি হলে তা পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ