পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ কঠিন হতে পারে:ডিসিসিআই
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=40233 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০,   ভাদ্র ১ ১৪২৭,   ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

প্রতিক্রিয়া

পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ কঠিন হতে পারে:ডিসিসিআই

 প্রকাশিত: ১৮:২০ ৭ জুন ২০১৮  

২০১৮-১৯সালে প্রস্তাবিত বাজেটে পাবলিকলি ও নন-পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী এবং মার্চেন্ট ব্যাংক খাতে বিদ্যমান করের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। যার কারণে পুনঃবিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ডিসিসিআই নেতারা।

সংগঠনের সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, জিডিপিতে বেসরকারীখাতে বিনিয়োগের পরিমাণ বিদ্যমান ২৩% থেকে বাড়িয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে ২৫.১৫% করার প্রস্তাব করা হলেও কর্পোরেট করের হার কমানো না হলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে। অথচ জিডিপিতে বিনিয়োগের পরিমাণ ১% বাড়াতে হলে প্রায় ২৪-২৫ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ প্রয়োজন।

জিডিপিতে বেসরকারীখাতের বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে হলে কর্পোরেট সেক্টরের সকল খাতে করের হার নূন্যতম ২.৫% হারে কমানো প্রয়োজন। ডিসিসিআই সভাপতি কোম্পানীর লভ্যাংশের উপর দ্বৈত করের হার কামানোর প্রস্তাব কে সাধুবাদ জানান।

প্রস্তাবিত বাজেট মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়োছে ৩,৩৯,২৮০ কোটি টাকা, যার মধ্যে এনবিআরের উৎস হতে ২,৯৬,২০১ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য করের আওতা বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরী বলে ডিসিসিআই মনে করে।

আগামী ৫বছরের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০এর নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ এর সাথে আলোচনার মাধ্যমে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও টাস্কফোর্স গঠনের উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন ডিসিসিআই’র সভাপতি। এলক্ষ্যে “ন্যাশনাল কমিটি ফর মনিটরিং অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন” শীষক কমিটিতে বেসরকারীখাতের প্রতিনিধির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন আবুল কাশেম খান।

মানব সম্পদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দকে সাধুবাদ জানিয়ে ডিসিসিআই’র সভাপতি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং গবেষণা পরিচালনায় বিনিয়োগ করলে তা ৫% হারে কর মুক্ত সুবিধা প্রদানের আহবান জানান।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস