পর্যটকদের জন্য বিপজ্জনক যে শহরগুলো

ঢাকা, সোমবার   ৩০ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৬ ১৪২৭,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

পর্যটকদের জন্য বিপজ্জনক যে শহরগুলো

ভ্রমণ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:০৯ ৫ মার্চ ২০২০   আপডেট: ২১:০৬ ১৮ জুন ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীকে নিজে চোখে কার না ভালো লাগে। আর তাই পৃথিবী দেখার নেশা থেকে অনেকেই বেড়িয়ে পড়েন ভ্রমণে। বিচরণ করে বেড়ান এক দেশ থেকে আরেক দেশ। তবে কিছু দেশ আছে যেগুলো মোটেও পর্যটকদের জন্য নয়। কারণ সেসব দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতটাই নাজেহাল যে সেখানে ভ্রমণ এক কথায় অনিরাপদ। আজ এমনই কিছু দেশ নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলো পর্যটকদের জন্য বিপদজনক:

টেন বেলেম, ব্রাজিল

ব্রাজিলিয়ান রাজ্য পারা’র রাজধানী বেলেম। যেটি দেশটির বড় আর জনবহুল শহরের একটি। বিশ্বখ্যাত অ্যামাজন নদীর প্রবেশদ্বার হিসেবে এটি পরিচিত বলে এই শহরটি পর্যটকদের অন্যতম গন্তব্যস্থল। বিপুল পর্যটকসহ ওই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা আছে শহরটিতে।

টেন বেলেম, ব্রাজিল

সাধারণ শহর হিসেবে এটি প্রচার পায় ১৬৫৫ সালে এবং রাজ্যের রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় ১৭৭২ সালে। ১৭ শতকের দিকে, চিনিশিল্প সম্পূর্ণভাবে যুক্ত হয় শহরটির অর্থনীতিতে। সেই শতকের শেষে, গবাদিপশু পালন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। পরে ধান, তুলা এবং কফি ওই অঞ্চলটির লাভজনক শস্য হয়ে ওঠে। ১৯ শতকের মাঝামাঝিতে অ্যামাজন, টকানটিস এবং টাপাজোস নদীতে নাব্যপথের সূচনা হলে, বেলেমের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। এত কিছুর পরও এই শহরটিকে বিশ্বের বিপজ্জনক শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম বলা হয়। 

শহরটিতে ঘটে যাওয়া খুন আর অপরাধের সংখ্যাই এর প্রধান কারণ। মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রতি লাখে খুনের হার ৭১ দশমিক ৩৮। দিনের পর দিন এই শহরে হিংসাত্মক ঘটনা বেড়েই চলেছে। শহরটিতে আনন্দময় সময় কাটাতে যাওয়া পর্যটকদের অনেকেই চুরি-ডাকাতির মতো ঘটনার মুখোমুখি হন। এ জন্য এই শহরে অবস্থানকারীদের সঙ্গে মূল্যবান কিছু রাখতে নিরুৎসাহিত করা হয়। 

শহরটির সীমানা মিশে আছে পেরু, কলম্বিয়া আর বলিভিয়ার সঙ্গে। বেলেমের ভয়াবহ চিত্রের অন্যতম কারণ কোকেন আর মাদকের ভাগবাটোয়ারা। মাদকের কারণে অনেক হত্যার ঘটনা ঘটে এই শহরে। শহরটির এত সুন্দর অতীত ঐতিহ্য থাকার পরও শুধু অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য সব ভালো বিষয় নজর এড়িয়ে যায়।

সিউদাদ গায়ানা, ভেনেজুয়েলা

সিউদাদ গায়ানা ভেনেজুয়েলার বলিভিয়ার বন্দর নগরী। এই শহরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এখানকার ন্যাশনাল পার্ক আর সুন্দর জলপ্রপাত। এই শহরে বেড়াতে গিয়ে পর্যটকদের মেনে চলতে হয় বাড়তি সতর্কতা। এর পেছনের কারণ এখানকার নিরাপত্তা। ভেনেজুয়েলায় অর্থনৈতিক সচ্ছলতা কম, এখানকার জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগই দরিদ্র। আর এ কারণে এখানে রাতে হাঁটার সময় কোনো দামি জিনিস সঙ্গে রাখা বেশ বিপজ্জনক। এই দেশে খুনের শিকার হয় প্রতি লাখে ৮০ দশমিক ২৮ জন। অপরাধ বৃদ্ধির আরেকটা কারণ হচ্ছে, এখানকার পুলিশরাও নীতিপরায়ণ নয়। কলম্বিয়ার কাছাকাছি এলাকায় যে সম্প্রদায়গুলো রয়েছে, তাদের বেশির ভাগই মাদক বা মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত। তাই শহরের এই এলাকাগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। 

সিউদাদ গায়ানা, ভেনেজুয়েলা

সবার সামনে মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা বের করাও বেশ বোকামির কাজ ওই এলাকাগুলোতে। এমনকি পাবলিক ট্রান্সপোর্টগুলোকেও চোরেরা চুরির জন্য ব্যবহার করে। এসব কারণে এ শহরটি পৃথিবীর অন্যতম বিপজ্জনক শহর।

সিউদাদ ভিক্টোরিয়া, মেক্সিকো

মেক্সিকোর উত্তর অংশে অবস্থান সিউদাদ ভিক্টোরিয়ার। এই শহরটি বিশ্বের বিপজ্জনক শহরগুলোর মধ্যে একটি। প্রতিদিনই এ শহরে অনেক অপরাধমূলক ঘটনা ঘটে। সিউদাদ ভিক্টোরিয়ায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় প্রতি লাখে ৮৩ দশমিক ৩২ জন। এসব হত্যাকাণ্ডের অন্যতম নেপথ্য কারণ মাদক। অসংখ্য অপরাধী গোষ্ঠীর সদস্য শহরে গোলাগুলি এবং রক্তপাতের সঙ্গে জড়িত। এমনকি এসব ঘটনার অধিকাংশই সংঘটিত হয় পুলিশ স্টেশন সংলগ্ন এলাকাগুলোয়। 

সিউদাদ ভিক্টোরিয়া, মেক্সিকো

অনেক পর্যটক নিরাপত্তার খাতিরে এই এলাকা থেকে অন্যদের দূরে থাকতে বলেন। শহরে আসা পর্যটকদের বিভিন্ন সময় আক্রমণের সুযোগ খোঁজে এখানকার অপরাধী গোষ্ঠীগুলো। চোরাকারবারিসহ নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে শহরটির সীমান্তবর্তী এলাকার অনেক মানুষ জড়িত।

ফোর্টালেজা, ব্রাজিল

ব্রাজিলের উত্তর-পশ্চিমের একটি শহর ফোর্টালেজা। সাংস্কৃতিক জীবন আর ঐতিহ্যবাহী ঘটনার জন্য এ শহরের একটি ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু ব্রাজিলের এমন ঐতিহ্যবাহী শহরগুলো নিরাপত্তার জন্য মোটেও সুবিধার নয়। এসব শহরে অপরাধ আর উগ্র বিষয়গুলো দূর করার জন্য নানা ধরনের চেষ্টাও চালানো হয়। কিন্তু এখনো, ফোর্টালেজার মতো বিপজ্জনক শহর রয়ে গেছে বৈশ্বিক তালিকায়। সমুদ্রতীরবর্তী এই শহরের বিভিন্ন পর্যটক সমাদৃত জায়গাগুলো আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সব সময়। দুঃখজনকভাবে, অসাধারণ এই শহরে রয়েছে লুকানো অনেক তথ্য। এই শহরে খুনের মাত্রা যেকোনো পর্যটকের জন্যই এক প্রকার রেড অ্যালার্ম!

ফোর্টালেজা, ব্রাজিল

জানা যায়, শহরটিতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় প্রতি লাখে অন্তত ৮৩ দশমিক ৪৮ জন। উপকূলীয় এই শহরের পাবলিক ট্রান্সপোর্টেও চুরির ঘটনা ঘটে। বেশির ভাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা শোনা যায় বাসস্টপে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের কাছ থেকে। শুধু এখানেই নয়, শহরটির বিভিন্ন বার, ক্লাব বা কোনো পার্টি হলের মতো এলাকাগুলো মোটেও নিরাপদ নয়। এসব কারণে ফোর্টালেজা ভ্রমণের জন্য বেশ বিপজ্জনক। অপরাধপ্রবণতার জন্য, এই শহরটিও এড়িয়ে চলে বেশির ভাগ বহিরাগত এবং পর্যটক।

লা পাজ, মেক্সিকো

মেক্সিকোর অন্যতম একটি শহর লা পাজ। ছোট কিন্তু মনোমুগ্ধকর এই শহরটি বিখ্যাত এর প্রাকৃতিক ভূ-চিত্র আর বিভিন্ন ধরনের বিপদের জন্য। এই অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলো শহরটির নামের সঙ্গে একটি ভিন্নমাত্রা যোগ করে। কিন্তু মেক্সিকোর উপকূলীয় এই শহরটিতে প্রতিনিয়ত ঘটছে বড় বড় অপরাধের ঘটনা। দিনের পর দিন জায়গাটি ভ্রমণের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। আর এখন তো পর্যটকরাও এখানে যাওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার ভাবে। 

লা পাজ, মেক্সিকো

গাড়ি থেকে শুরু করে হোটেলরুমগুলোও চুরির হাত থেকে নিরাপদ নয়। মাদক এবং হত্যার মতো শব্দ দুটি এ এলাকার খুব পরিচিত শব্দ। এ শহরে প্রতি লাখে অন্তত ৮৪ দশমিক ৭৯ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। এই পরিসংখ্যান বিশ্বের যেকোনো অঞ্চলের মানুষের জন্যই উদ্বেগজনক।

মার্কিন নাগরিকদের যে পাঁচটি জায়গায় ভ্রমণ না করার জন্য অনুরোধ করা হয়, তার মধ্যে লা পাজ একটি। অসম্ভব সুন্দর সৈকত আর সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য মানেই যে সেই জায়গার সব কিছুই সুন্দর, তা মোটেও নয়। জাদুর এ শহরের পেছনে আছে অন্ধকার এক চেহারা, যা বিপদে ফেলছে মানুষের জীবনকে। আর এ জন্যই এ শহর বিশ্বের বিপজ্জনক দশ শহরের তালিকায় একটি।

নাটাল, ব্রাজিল

ব্রাজিলের আটলান্টিক উপকূলের শহর নাটাল। এই শহরের নামের অর্থ পর্তুগিজ ক্রিস্টমাস। এই শহরের সৌন্দর্য ভরে আছে অসাধারণ বিচ, ঐতিহাসিক স্থান আর শপিং মল দিয়ে। সূর্যের শহর নামে পরিচিত এই শহরে রয়েছে নানা বিপদ। শহরের চোখ আটকে যাওয়া সমুদ্রতীরগুলো ছিনতাইয়ের জন্য কুখ্যাত।

পর্যটকরা এই শহর নিয়ে নানা সময় নানা অভিযোগ করেছেন। এখানে গেলে পর্যটকদের ক্যামেরা আর দামি জিনিসপত্র এক ধরনের নজরবন্দি করে রাখে ডাকাতরা।

নাটাল, ব্রাজিল

অনেক সময়, ডাকাতির জন্য বন্দুক দিয়ে ব্ল্যাকমেইলও করা হয়। নাটালে ঘুরতে হলে একা না গিয়ে কোনো একটি গ্রুপে কয়েকজন মিলে স্থানীয় কাউকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়াই ভালো। 

শহরটির পুলিশ সদস্যরাও অনেক সময় ঘুষ চেয়ে জনগণকে বিব্রত করে থাকে। যদিও ব্রাজিলিয়ান এই শহরটি অপরাধ আর দুর্নীতির এসব খবরে বেশ বড় ধাক্কাই খেয়েছে। প্রত্যাশার তুলনায় কমে গেছে পর্যটকের সংখ্যা। শহরটিতে প্রতি লাখে অন্তত ১০২ দশমিক ৫৬ জন খুনের শিকার হন। এখানে পুলিশের হাতেও খুন হন। কখনো কখনো ধর্ষণ আর নারী হত্যার ঘটনাও ঘটে। 

আকাপুলকো, মেক্সিকো

মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় অঞ্চলে আকাপুলকো একটি প্রধান সমুদ্র বন্দর শহর। নিখুঁত উপসাগর এবং উষ্ণ আবহাওয়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ। কিন্তু এত কিছুর পরও এই শহরে লেগেছে তৃতীয় বিপজ্জনক শহরের খেতাব। শহরটিতে প্রতি লাখে ১১০ দশমিক ৫০ জন খুন হয়।

আকাপুলকো, মেক্সিকো

বিগত কয়েক বছরের মধ্যই কুখ্যাতির চরম শিখরে পৌঁছে গেছে শহরটি। এই শহরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে পাহাড় আর নৈসর্গিক সৌন্দর্য। কিন্তু বাড়ন্ত অপরাধ আর মাদক পাচার দিনে দিনে শহরটিকে বিপজ্জনক শহরের তালিকায় নিয়ে গেছে।

কারাকাস, ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার কারাকাস বিশ্বের দ্বিতীয় বিপজ্জনক শহর। জনবহুল শহরটি আভিলা পর্বতের নিচে উপকূলের কাছে অবস্থিত। সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই শহরের আবহাওয়াও বেশ মনোরম। কারাকাস ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে বিপজ্জনক শহর।

কারাকাস, ভেনেজুয়েলা

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং খাদ্যের অভাব এখানে একটি অন্যতম সমস্যা। জনসম্মুখে মোবাইল ফোনের ব্যবহার আপনাকে এখানে বিপদে ফেলতে পারে। পকেটমার আর ছিনতাই কারাকাসের খুব সাধারণ একটি বিষয়। শহরটিতে প্রতি লাখে ১১১ দশমিক ১৯ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। খুনের সংখ্যা বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে এখানকার অর্থনৈতিক অস্থিরতা। 

লস কাবোস, মেক্সিকো

মেক্সিকোর লস কাবোস খুব বিলাসবহুল রিসোর্টের শহর। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে, খুনের হার এই শহরটিকে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক শহরের তালিকায় নিয়ে এসেছে। শান্তির শহর নামে পরিচিত শব্দটি আর যুক্ত নেই লস কাবোসের সঙ্গে। বর্তমানে মাদক কারবারিদের একচ্ছত্র আধিপত্য এখানে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরে খুনের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে ত্বরিত গতিতে। সাম্প্রতিক হিসাব মতে, প্রতি লাখে শহরটির ১১১ দশমিক ৩৩ জন খুন হয়। সমুদ্রতীর, বার, ছুটির দিনে ঘোরার জায়গা কোনোটিই এখানে নিরাপদ নয়। পর্যটকরা শহরের একটি বিচের নাম দিয়েছে ‘মার্ডার বিচ’।

লস কাবোস, মেক্সিকো

সমুদ্র পাড়ের বালি স্বচ্ছ না হলেও সেখানে দেখা যায় লাল রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। শহরে খুনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ মাদক কারবারি গ্রুপগুলো। এমনকি এ শহরের ব্রিজে কখনো কখনো লাশ ঝুলে থাকতেও দেখা যায়। খুনের ঘটনা এই শহরে প্রতিদিন ঘটে। শহরের এত সুন্দর সৌন্দর্য এই রক্তের দাগের মাঝে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। পর্যটকদের আশা, এক দিন হয়তো সত্যিই দেশটি তাদের পুরনো আর হারানো সৌন্দর্য ফিরে পাবে।

তিজুয়ানা, মেক্সিকো

২০১৮ সালে তিজুয়ানা শহরে ২ হাজার ৬৪০টি খুনের ঘটনা ঘটে। এই পরিসংখ্যানের মধ্য দিয়ে ২০১৯ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক শহরের তালিকায় শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে এই শহরটি। মেক্সিকোতে দ্রুত বর্ধমান শহরের মধ্যে একটি হচ্ছে তিজুয়ানা।

তিজুয়ানা, মেক্সিকো

বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক পরিদর্শন করা সীমান্ত শহর এটি। মেক্সিকান সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখার জন্য প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ শহরে জড়ো হয়। রাতের জীবন, অসাধারণ ক্যাফে আর রেস্তোরাঁগুলো এই শহরের সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে তোলে।

এত কিছুর পরও এ শহরের মানুষকে সব সময় বিপদ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়। যদিও অনেক বছর আগে এ শহরে নিরাপত্তার কোনো অভাব ছিল না। কিন্তু বর্তমানে সময় একদম বদলে গেছে। শহরটি মেক্সিকোর অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস/টিএএস/