পরিবারের শপিংয়ের টাকায় অসহায়দের ঈদ উপহার দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

ঢাকা, বুধবার   ২৭ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭,   ০৩ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

পরিবারের শপিংয়ের টাকায় অসহায়দের ঈদ উপহার দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

শোয়াইব আহমেদ, ঢাবি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:০০ ১৬ মে ২০২০  

ঈদে পরিবারের কেনাকাটার বরাদ্দের টাকায় অসহায়দের বস্ত্র উপহার দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

ঈদে পরিবারের কেনাকাটার বরাদ্দের টাকায় অসহায়দের বস্ত্র উপহার দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

ঈদ এলেই কেনাকাটার ধুম পড়ে যায় সবার। সবাই শপিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে ঈদে পরের জন্য অনেকেই কেনাকাটা করে। তাদেরই একজন এনামূল হাছান নাহিদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। 

নাহিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী। নিজ উদ্যোগে এবং বাবার সহযোগিতায় প্রথম ধাপে ৩০টি পরিবারের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি ও জামা-কাপড় পৌঁছে দিয়েছেন।

কাপড়ের বাজার খোলা থাকলে ঈদের আগে আরেক দফায় উপহার দেয়ার ইচ্ছা আছে তার। তা না হলে অসহায় কিছু পরিবারকে নগদ অর্থ দিবেন বলে ডেইলি বাংলাদেশকে জানিয়েছেন ঢাবি ছাত্রলীগের এই নেতা।

নাহিদ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ভাবছিলাম কিছু মানুষের কাছে ঈদ উপহার তুলে দিব। ঈদের ১০ দিন আগেই উপহার পৌঁছে দিয়েছি। এতে তাদের কোথাও কেনাকাটা করতে যেতে হচ্ছে না বা কেনাকাটার কোনো চিন্তা থাকছে না। ৩০টি পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঈদবস্ত্র দিয়েছি। বর্তমান সংকটময় সময়ে ঈদে নিজের বা পরিবারের জন্য কোন কেনাকাটা করবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একটা ঈদে কেনাকাটা না করলে আমার বা পরিবারের কোন সমস্যা হবেনা। আর এতে শপিংমল বা দোকানেও ভিড় কমবে।

অসহায়দের সহযোগিতা করতে পেরে নিজের ভালোলাগার অনুভূতি প্রকাশ করে নাহিদ বলেন, ছিন্নমূল মানুষের কাছে যখন এই ঈদ উপহার তুলে দিয়েছি মানুষের চোখে মুখে ভালোবাসার ছাপ দেখেছি। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলো স্বামীহারা বিধবা, বৃদ্ধ মহিলা, সন্তানহীন পরিবার ইত্যাদি। এই মানুষের ভালোবাসার চাইতে বড় উপহার বা পাওয়া আর কি হতে পারে? একজন ছাত্রলীগের কর্মী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক হিসেবে চেষ্টা করছি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর।

তিনি আরো বলেন, সংকট একদিন কেটে তো যাবে। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সময় ও সুযোগে সাধ্যমত সহায়তার হাত বাড়াতে চাই। মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখি। মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি কিন্ত এই করোনা যুদ্ধ নিজ চোখে দেখছি। ডাক্তার, পুলিশ-প্রশাসন সামনের সাড়িতে কাজ করছে। আমাদের তো আর সেই সুযোগ নেই। তাই নিজের জায়গা থেকে যতটুকু করা যায় তাই করার চেষ্টা করছি। সবাই যার যার জায়গা থেকে কাজ করুন। অসহায়দের পাশে দাঁড়ান। হাল ছেড়ে না দিয়ে আসুন সবাই একসাথে লড়াইটা চালিয়ে যাই। ইনশাআল্লাহ একদিন আমরা সফল হবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম