Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩ নভেম্বর, ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৪

পথ চলাটা কিন্তু সহজ ছিল না : নাজমী জান্নাত

এম. রেজাউল করিমডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
পথ চলাটা কিন্তু সহজ ছিল না : নাজমী জান্নাত

আশেপাশের অনেকের নানা-রকম সমালোচনাকে পাত্তা না দিয়ে মেয়েটি একটু আলাদা বিষয় হিসেবে স্নাতকে ফ্যাশন ডিজাইনিংকে বেছে নিল, লক্ষ্য ছিল দারুণ কিছু করবার- ফ্যাশন সচেতন একটা সমাজ গড়তে নিরলস কাজ করে যাওয়া।

স্নাতক শেষ করেই পথচলা শুরু করলেন উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হিসেবে, শিক্ষকতাকে বেশ ভালমতোই উপভোগ করেন- আর জীবনের প্রধাণ ব্রত হিসেবে পালন করেন। কিন্তু নতুন কিছু করবার আকাঙ্ক্ষা কিন্তু তার কখনোই থেমে থাকেনি। প্রস্তাব পেলেন একটি ভিন্নধারার চলচ্চিত্রে কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে কাজ করবার- লুফে নিলেন নিজেকে প্রমাণ করবার সুযোগ।

বলা হচ্ছিলো হালের তরুণ ফ্যাশন ডিজাইনার কাম উপস্থাপিকা নাজমী জান্নাতকে নিয়ে। নানা রেকর্ড সৃষ্টিকারী ‘ঢাকা এট্যাক’ চলচ্চিত্রের কস্টিউম ডিজাইনিং এর কাজ শেষে এখন ব্যস্ত আছেন শিক্ষকতা আর উপস্থাপনা সহ আর অন্যান্য বিষয় নিয়ে।

ডেইলি বাংলাদেশের সাথে নানা বিষয় নিয়ে আলাপচারিতার ফাঁকে নাজমী জানালেন বরাবরই পর্দার পেছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া মানুষগুলোর কথা- যাদের কখনোই সেভাবে সামনে তুলে ধরা হয় না। নাজমি জানান অনেক প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও তিনি সেভাবে কখনো মূলধারার মডেলিং বা অভিনয়ে তেমন আগ্রহ পাননি, সব সময় তার ইচ্ছা পর্দার আড়ালে থেকেই দারুণ কিছু করবার।

উপস্থাপনা, শিক্ষকতা, ফ্যাশন ডিজাইনিং – এত কাজ কিভাবে এক সাথে সামলান জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান কাজের প্রতি ভালবাসাই তার সকল সাফল্যের রহস্য। তিনি যে কাজই করেন তা শ্রদ্ধাভরে ভক্তি নিয়ে করেন যাতে তার চেষ্টার কমতি না থাকে আর দিনশেষ সংশ্লিষ্ট সবাই খুশি হলেই তার আত্মতৃপ্তির ঢেকুর কিছুটা হলেও তিনি আঁচ করতে পারেন।

এই প্রজন্মের জন্য বিশেষ কিছু বলবার আছে কিনা জানতে চাইলে নাজমী জানান, স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা আসবেই, কিন্তু স্বপ্ন পূরণে কতটা সংকল্পবদ্ধ একজন মানুষ- তার উপরে বাকি ফলাফল নির্ভর করছে।