Exim Bank Ltd.
ঢাকা, রবিবার ২২ জুলাই, ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫

পথকলি

পৃথিবী জুড়ে আজ অধিকারের লড়াই, জীবন নামের রণক্ষেত্রে সবাই নিজের স্বাধীনতা নিয়ে ব্যস্ত। ‘স্বাধীনতা চাই’ ‘অধিকার চাই’, এসব স্লোগান দিয়ে রাজপথে চলে প্রতিদিন মিছিল-মানববন্ধন।

দেশের আমলা থেকে শুরু করে কামলা শ্রেণি সবাই অধিকার চায়। কেউ চায় বিলাসবহুল অট্টালিকা, ব্যাংকে জমা কোটি কোটি টাকা, মাসে মাসে নতুন গাড়ি, প্রতিদিন নতুন শাড়ি।

বড় আজব এই দুনিয়ার রং মহলের মানুষ। কার মনে কি চায়? সবাই স্বাধীনতা চায়, অধিকার চায়। কে কাকে স্বাধীনতা দেবে? কে কাকে অধিকার দেবে? সবাই তো নিজের আয়োজন প্রয়োজন নিয়েই ব্যস্ত।প্রজা শোনেনা শাসকের কথা, শাসক বোঝেনা প্রজার ব্যথা।অদ্ভুত এই মানব জাতির শ্রেণিবৈষম্য। দেশের উচ্চবিত্ত থেকে নিয়ে নিম্নবিত্ত সবাই স্বাধীনতাকামী-অধিকারপ্রত্যাশী।কিন্তু কে কাকে স্বাধীনতা দেবে, অধিকার দেবে এই পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থায়।

সমাজের উচ্চ শ্রেণিতে যারা বাস করে তাদের বিলাসিতার কোনো শেষ নেই।মধ্য শ্রেণিতে যারা বাস করে তাদের চাহিদা-চাই আরো, চাই। নিম্ন বিত্তের লোকগুলোর চাহিদা তিন বেলা খেতে পারলেই হলো।

যাই হোক, আমরা মানব জাতি। আমাদের স্বাধীনতার প্রয়োজন আছে। সমাজ একদিনে পরিবর্তন হয়নি,আদিকাল হতে শুরু করে উত্তান পতনের মধ্য দিয়ে বর্তমানে এসেছে।

প্রশ্ন হলো পথকলি শিশুদের নিয়ে।এই পথকলি শিশুরা তো আমাদের সমাজেরই অংশ। ওদের মধ্যে এমন কিছু শিশু আছে যার কোনো পিতৃ পরিচয় নেই, কে তার মা তাও জানেনা।এই দোষ কি ওদের? আবার এমন শিশু আছে যার মা আছে কিন্তু পিতার কোনো ইয়ত্তা নেই।

মা ঠিক করে বলতে পারেনা কে তার পিতা।এই দোষও কি ওদের? আপনার বিবেকের কাঠিকে একবার নাড়া দিন। বুঝতে পারবেন, আমাদের সভ্য সমাজ আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

যৌবনের চাহিদা মেটাতে, কুত্তা-কুত্তির মতো রাস্তা ঘাটে, রাস্তার মোড়ে, পার্কের ঝোপ ঝাড়ে...নারী পুরুষের অবৈধ যৌন মেলামেশা ।ফলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে

পথকলির সংখ্যা।সমাজ তাদের গ্রহণ করতে চায় না!অধিকার দিতে চায় না এসব অধিকার বঞ্চিত শিশুদের। ওরা না পাচ্ছে বাসস্থান , না পাচ্ছে অন্ন, বস্ত্র, খাদ্য।

এই অবহেলিত সমাজের বঞ্চনার শিকার হতে হতে ওরা একদিন বড় হয়ে মাস্তান, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী হবে।তখন আমাদের দেশ মাতৃকা ওদের কাছ থেকে কি ভালো কিছু আশা করতে পারবে। আমরা কি থাকতে পারবো পরিপূর্ণ স্বাধীন। না; তখন তা আর সম্ভব হবে না। কারণ ওরা তো আমাদের নিজের হাতে অর্জন করা পাপের ফসল। এখনো সময় আছে ওদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে দেশের সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার।

আমাদের সুশীল সমাজ চাইলেই তা করতে পারি।

আসুন, আমাদের জৈবিক চাহিদাকে বৈধভাবে ব্যবহার করি। সমাজ হতে সন্ত্রাস, অবৈধ মেলামেশা, ধর্ষণ প্রতিরোধ করে, পথকলিদের সঙ্গে নিয়ে সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর

আরও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
চার মাসের ‘গর্ভবতী’ বুবলী!
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিসা সেন্টার এখন ঢাকায়
শাকিবের সঙ্গে বিয়ে, যা বললেন নায়িকা বুবলী
ক্যামেরায় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রীরা, কারা এরা?
ভেঙে গেলো পূর্ণিমার সংসার, পাল্টা জবাবে যা বললেন নায়িকা
বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে নেয়ার কিছু টিপস
মায়ের জিন থেকেই শিশুর বুদ্ধি বিকশিত হয়!
ব্যর্থ হলো মার্কিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী পরীক্ষা
এইচএসসি'র ফল জানা যাবে যেভাবে
ধর্ষণের কবলে মৌসুমী হামিদ, ধর্ষক গাড়িচালক!
চীনের মধ্যস্থতায় তথ্য আদান-প্রদানে সম্মত পাকিস্তান-আফগানিস্তান
বিশ্বকাপের সব গোল্ডেন বল জয়ীরা
গৌরিকে নিয়ে ভক্তের প্রশ্ন, উত্তর দিলেন শাহরুখ!
যেসব দেশে কোনো নদী নেই
মহান আল্লাহ তাআলা যাদের প্রতি সন্তুষ্ট
আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবটিই বেছে নিয়েছি
কাতার বিশ্বকাপ নিয়ে কিছু ভবিষ্যতবাণী!
নিখোঁজের ৩৭ বছর পর ফিরে এসেছিলো যে বিমান
মীর জাফর ও তার সঙ্গীদের শেষ পরিণতি
ভাত খাওয়ার পর যেসব ভুল ডেকে আনছে মৃত্যু
শিরোনাম:
পদোন্নতিতে পেশাগত দক্ষতার ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকারের আমন্ত্রণে দিল্লির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন আজ রংপুরে বাসচাপায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত