Exim Bank
ঢাকা, বুধবার ২০ জুন, ২০১৮
Advertisement

পতিতাবৃত্তির সঙ্গে জড়িত এই বলি অভিনেত্রীরা!

 বিনোদন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:২৬, ৭ জুন ২০১৮

আপডেট: ১৫:১২, ৮ জুন ২০১৮

২২২৩৪ বার পঠিত

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ভারতের অভিনেত্রীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগ উঠেছেও। এদের মধ্যে রয়েছে পতিতাবৃত্তির অভিযোগ। আর এই তালিকায় রয়েছে অনেক জনপ্রিয় অভিনেত্রীরা। কেউ কেউ আবার তা অকপটে স্বীকার করে নেন আবার কেউ কেউ তা অস্বীকার করেন।


সঙ্গীতা বালন

তাদেরেই মধ্যে একজন তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মুখ সঙ্গীতা বালন। ‘বাণীরানি’ নামের একটা ডেলি সোপেও রোজ দেখা মিলছিল তার। কিন্তু হঠাৎই যেন দমকা এক হাওয়ায় সব কিছু ওলটপালট হয়ে গেল তামিল অভিনেত্রী সঙ্গীতা বালনের। অভিযোগ, অভিনয়ের পাশাপাশি দিনের পর দিন মধুচক্র চালিয়ে এসেছেন সঙ্গীতা। আর তারই জেরে তামিল অভিনেত্রী সঙ্গীতা বালনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জানা যায়, সঙ্গীতা নানা বয়সের মহিলাদের টেলিভিশন আর সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ করিয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে তাদের এই পেশায় নিয়ে আসতেন।


শার্লিন চোপড়া

একই পথের পথিক অভিনেত্রী শার্লিন চোপড়া। বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ে না অভিনেত্রী শার্লিনের। তার হালফিলের ছবি ‘কামসূত্র থ্রি ডি’ রিলিজের আগেই ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হয় শার্লিনের অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলির ভিডিয়ো।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। বিষয়টি নিয়ে বিশেষ জলঘোলা হওয়ার আগেই মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন শার্লিন। অকপটে এও স্বীকার করে নিয়েছিলেন, সিনেমার ডাক না আসলে টাকা পয়সা কোথা থেকে আসবে? আর এই পয়সার কারণেই বিভিন্নমানুষের বেড রুম পর্যন্ত আমাকে ছুটতে হতো।



শ্বেতা বসু প্রসাদে

‘মকড়ি’ আর ‘ইকবাল’ ছবিটির সেই ছোট্ট অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদের নামেই একবার অভিযোগ উঠেছিল মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরের গোড়ায় হায়দরাবাদের একটি হোটেল থেকে যৌন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে শ্বেতাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সে সময় সংবাদমাধ্যমে হায়দরাবাদ পুলিশের তরফেই শ্বেতার একটি বিবৃতি পাওয়া গিয়েছিল।

সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল যে, অভাবে পড়েই যৌনপেশায় জড়িয়ে যেতে হয়েছে তাকে। পরবর্তীকালে হায়দরাবাদের আদালত শ্বেতাকে ক্লিন চিট দেওয়ার পরক্ষণেই সংবাদমাধ্যমকে খোলা চিঠি লিখেছিলেন শ্বেতা বসু প্রসাদ। চিঠিতে তিনি দাবি করেছিলেন, যে ধরা পড়ার পরে তার যে ‘স্বীকারোক্তি’র কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, তার আদ্যোপান্ত ভুয়ো 
আরশি খান

পাক অভিনেত্রী আরশি খানকে ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ বললেই তেলে বেগুণে জ্বলে উঠতেন। বলি সূত্রের দাবি এই ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ আদতে যৌন ব্যবসা। আর পাক অভিনেত্রী আরশি খানই এই যৌন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে সূত্রের আরো দাবি। তবে আরশি বরাবরই দাবি করে এসেছেন যে এই অভিযোগের পুরোটাই মিথ্যা।

সংবাদমাধ্যমকে একবার আরশি বলেছিলেন, পুণেতে শো করতে এসে একটি হোটেলে আমি উঠেছিলাম। রাত পৌনে একটা নাগাদ হঠাৎই সেই হোটেলে আমার রুমের দরজা নক করতে থাকেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের জনা দশেক অফিসার। আমি পাকিস্তানি মুসলিম বলেই ওই অফিসাররা আমাকে গ্রেফতার করতে আসেন।


দীপ্তি নাভাল

অভিনেত্রী দীপ্তি নাভালও নাকি যৌন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে গুজব রটেছিল বলিউডে। পরে দীপ্তি নিজে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, এটা একটা বানানো গল্প ছাড়া আর কিছুই নয়। আর সংবাদমাধ্যমই নাকি এই গুজব ছড়িয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন দীপ্তি।

তবে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এ হেন কেচ্ছা যে শুধু যে মধুচক্রেই সীমাবদ্ধ তাই নয়। কেরিয়ারের স্বার্থে কখনো উঠতি অভিনেত্রীর ‘কম্প্রোমাইজ’। কখনো আবার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর আজীবন পুরনো লাইফস্টাইল ধরে রাখার চেষ্টা।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস

সর্বাধিক পঠিত