নৌপথে গাইবান্ধায় আসা ৯২ শ্রমিক কোয়ারেন্টাইনে

ঢাকা, বুধবার   ০৩ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭,   ১০ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

নৌপথে গাইবান্ধায় আসা ৯২ শ্রমিক কোয়ারেন্টাইনে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫৫ ১০ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ১২:৫৮ ১০ এপ্রিল ২০২০

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ থেকে নৌপথে আসা ৯২ জন শ্রমিককে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার দুটি চরাঞ্চলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার ফুলছড়ি ইউএনও আবু রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ থেকে দুটি নৌকা যোগে বেশ কয়েকজন বাড়ি ফিরছিলেন। তারা ফুলছড়ি ও ফজলুপুর ইউপির বাসিন্দা। বুধবার রাতে এমন খবর পেয়ে ইউএনও আবু রায়হান তৎপর হয়ে ওঠেন। তিনি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন। তাকে সহায়তা করেন ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ফুলছড়ি থানার ওসি কাওছার আলী, ফুলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল গফুর মণ্ডল।

বৃহস্পতিবার ভোরে শ্রমিকদের বহন করা নৌকা দুটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন প্রশাসনের লোকজন। এরপর থানা-পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় ৯২ জন শ্রমিককে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়। এরমধ্যে ফুলছড়ি ইউপির ৬৪ জন বাসিন্দাকে ইউপির টেংরাকান্দি এম এ সবুর দাখিল মাদরাসায় ও ফজলুপুর ইউপির ২৮ জন বাসিন্দাকে ইউপির খাটিয়ামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফুলছড়ি ইউপি ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা ও স্বেচ্ছাসেবক মনোয়ার হোসেন বলেন, চরাঞ্চলের মানুষ করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতন নয়। করোনাভাইরাস কীভাবে ছড়ায়, খুব একটা জানেন না। সংক্রমিত কেউ গোপনে এলাকায় এলে তাদের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে এই ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। তাই আমরা শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার বিষয়টি জানতে পেরে ইউএনও’কে জানাই। পরে শ্রমিকদের রাখার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন প্রস্তুত করতে সহায়তা করেছি।
 
ফুলছড়ি ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল গফুর মণ্ডল জানান, ইউপির পক্ষ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপরও যদি নতুন করে কেউ এলাকায় আসে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।

ফুলছড়ির ইউএনও আবু রায়হান বলেন, দুটি স্থানে ৯২ জনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষগুলোর খাদ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম