ঢাকা, শুক্রবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ১০ ১৪২৫,   ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০

নোয়াখালী মুক্ত দিবস পালিত

নোয়াখালী প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৭:৩৬ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:০৪ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

৭ই ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়কে র‌্যালি শেষে পিটিআই সংলগ্ন নোয়াখালী মুক্ত মঞ্চ প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার মোজাম্মেল হক মিলনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান, মমতাজুল করিম বাচ্চু, মোশারফ হোসেন, জিএস কাশেম, অ্যাডভোকেট সারোয়ার-ই-দ্বীন প্রমুখ।

দিবসটি উপলক্ষে সন্ধ্যায় মুক্ত মঞ্চে নৃত্য, গান, মঞ্চ নাটক পরিবেশন করে জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন।

পাকহানাদার মুক্ত হবার আগের দিন ১৯৭১ এর ৬ ডিসেম্বর জেলার অভ্যন্তরে পাক বাহিনী তাদের মুল ঘাঁটিগুলো থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু তাদের দোসর রাজাকার, আলবদররা জেলা শহর মাইজদীর নাহার মজ্ঞিল, মাইজদীকোর্ট রেল স্টেশন, হরিনারায়নপুর, দত্তের হাট রাজাকার ক্যাম্প ও পাক হানাদার বাহিনীর প্রধান ঘাঁটি পিটিআই এর হোষ্টেলে থেকে যায়। ৬ ডিসেম্বর রাতে বৃহত্তর নোয়াখালীর বিএলএফ প্রধান মাহমুদুর রহমান বেলায়েতের নেতৃত্বে  মুক্তিযোদ্ধারা জেলা শহর মাইজদীর রাজাকার আল বদরদের ক্যাম্পগুলো ঘিরে হামলা চালায়।

সারারাত ও পরদিন বিকাল পর্যন্ত এ যুদ্ধ চলে। এসময় কয়েক জন রাজাকার নিহত হয় এবং অনেকে পালিয়ে যায়। শক্র পক্ষের গুলিতে শহীদ হয়েছেন নোয়াখালী কলেজের অধ্যাপক  আবুল হাসেম, ছাত্র  নজরুল ইসলাম স্বপন, সরকারী কর্মকর্তা আবদুল জলিল, নাজির বসু মিয়া ও একজন অজ্ঞাত আনসার সদস্য। আহত হন মুক্তিযোদ্ধা মাইন উদ্দিন জাহাঙ্গীর।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসকে