Alexa নোবিপ্রবিতে একঝাঁক তরুণের পথ চলা

ঢাকা, শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৯ ১৪২৬,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

নোবিপ্রবিতে একঝাঁক তরুণের পথ চলা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ২০:৪৭ ২ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২০:৪৭ ২ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কথিত আছে যে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা হচ্ছে সাংবাদিকতার আতুরঘর। সংবাদ সংগ্রহ, নির্বাচন কিংবা লেখায় আনাড়িপনার ছাপ থাকলেও সাংবাদিকতার প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা থেকেই একজন নিজেকে ক্যাম্পাস সাংবাদিক হিসেবে গড়ে তোলেন। সেই ভালোবাসা বা টান থেকেই নানা সংকটের মধ্যে থেকেও এক ঝাঁক তরুণ শিক্ষার্থীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সম্প্রতি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) সাংবাদিক সমিতি গঠন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরুর প্রায় অর্ধযুগ পরে অর্থাৎ ২০১৪ সালে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকতা শুরু হয়। তবে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান কর্তৃক স্বীকৃত সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় বেশীরভাগ সাবজেক্টই ক্লাস, পরীক্ষা লেগেই থাকে । এই অ্যাকাডেমিক ব্যস্ততার মাঝেই গোয়েন্দাদের মত আমাদের ২৪ ঘণ্টা চোখ-কান খোলা রেখে ক্যাম্পাসে পূর্ণ নজরদারী রাখতে হয়। ক্যাম্পাসে সাংবাদিকতায় এক অন্যরকম আনন্দ আছে, জীবনকে উপভোগ করা যায় । চ্যালেঞ্জিং হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা যায়। নিজেকে দক্ষ, সৎ এবং সাহসী হিসেবে গড়ে তোলার অন্যতম পন্থা হচ্ছে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা ।

আমাদের সাংবাদিক সমিতি আমাদের একটি পরিবার। দুই সপ্তাহ পরপর আমাদের কার্যকরী মিটিং থাকে । সেখানে শুধু যে সাংবাদিকতা নিয়ে আলোচনা হয় তা নয়, পেশাদারিত্বের ছাপ থেকে বেরিয়ে এসে সমসাময়িক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয়। কখনো আমরা মেতে উঠি আড্ডায়, বিশ্ববিদ্যালয় পার্ক বা শহীদ মিনারের পাদদেশে চলে আড্ডা। আড্ডার ছলে কথা হয় ক্যারিয়ার নিয়ে, কখনো চা খেতে খেতে নিছকই চলে আড্ডা। আবার কখনো গানে গানে ছড়িয়ে পড়ে তারুণ্যের উন্মাদনা। কখনো আমরা বেরিয়ে পড়ি নতুন কিছু দেখতে। কখনো বা দল বেঁধে খাওয়াদাওয়া করা হয়।

তাছাড়া আমাদের সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা সাংবাদিকতার পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক কাজ কর্মের সাথে জড়িত রয়েছেন। গত ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সমিতির সদস্যগণ সংবাদ সংগ্রহের পাশাপাশি আগত ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায় নিরলস কাজ করে গেছেন। আবার শীত উপলক্ষে সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে যা শীতার্ত মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা বাহ্যিক দিক দিয়ে অনেকের কাছে শখের মনে হলেও এর পদে পদে রয়েছে চ্যালেঞ্জ। সত্য প্রকাশে অনেক ক্ষেত্রে নিজের কাছের বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয় । প্রসাশনের বিভিন্ন চাপসহ অন্যান্য চাপ মাথায় রেখে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হয়। শুরুতে গণমাধ্যমের সংকটে কিছুটা হোচট খেলেও অদূর ভবিষ্যতে আমরা ক্যাম্পাসে সাংবাদিকতায় কাঙ্খিত সাফল্যে পৌঁছাতে পারব বলে আমাদের প্রত্যাশা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ

 

 

 

 

Best Electronics
Best Electronics