Alexa নুসরাত হত্যা: মুকছুদ ৫ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

নুসরাত হত্যা: মুকছুদ ৫ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৫৪ ১৫ এপ্রিল ২০১৯   আপডেট: ১৫:০৩ ১৫ এপ্রিল ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে কেরোসিন ঢেলে হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মুকছুদ আলমকে ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক সরাফ উদ্দিন আহম্মেদ এ আদেশ দেন।

কোর্ট ইনসপেক্টর গোলাম জিলানী জানান, মাদরাসাছাত্রী নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার ৪ নম্বর আসামি পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলমকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই’র পরিদর্শক (ওসি) মো. শাহ আলম ১০ দিন রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড দিয়েছে আদালত। এদের মধ্যে গত ৯ এপ্রিল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরাফ উদ্দিন আহম্মেদের আদালত নূর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও শাহিদুল ইসলামের পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরদিন ১০ এপ্রিল অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলাকে সাতদিন, আবছার উদ্দিন ও আরিফুল ইসলামকে পাঁচদিন করে রিমান্ড দেয় একই আদালত। ১১ এপ্রিল উম্মে সুলতানা পপি ও যোবায়ের হোসেনকে পাঁচদিনের রিমান্ড দেয় ওই আদালত। ১৩ এপ্রিল শনিবার মামলার আরেক আসামি জাবেদ হোসেনকে সাত দিনের রিমান্ড দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন।

এদিকে রোববার রাতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার অন্যতম আসামি নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামিম। জবানবন্দিতে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার নির্দেশে তারা নুসরাতের গায়ে আগুন দিয়েছে বলে স্বীকার করেছে।

গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। আগুনে ঝলসে যাওয়া নুসরাত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ দিন পর গত ১০ এপ্রিল (বুধবার) রাত সাড়ে ৯ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এলকে