Alexa ইলিশ শিকারের ঘটনায় ৮ পুলিশ প্রত্যাহার

ঢাকা, শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

ইলিশ শিকারের ঘটনায় ৮ পুলিশ প্রত্যাহার

বরিশাল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৫২ ২২ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ২০:৫০ ২২ অক্টোবর ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারের ঘটনায় আরো পাঁচ পুলিশকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তাদের বরিশাল মহানগরের বন্দর (সাহেবের হাট) থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় আরো তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘটনার তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আকরাম হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় এখনো এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছেনা। তদন্ত শেষে পুরো বিষয়টি জানানো যাবে।

যাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা হলেন- বরিশাল মহানগরের বন্দর থানার এএসআই তারিকুল ইসলাম, ইরফান হোসেন ও সোহেল রানা এবং কনস্টেবল জাকির হোসেন ও ইব্রাহিম। এর আগে একই ঘটনায় সোমবার বরিশাল মহানগরের বন্দর থানার তিন পুলিশ সদস্য এসআই আনিসুর রহমান, কনস্টেবল মোহম্মদ আলী ও জুলফিকারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে রোববার পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীর ধুলিয়া পয়েন্টে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার কনস্টেবল জুলফিকার আলী ও মোহাম্মদ আলীকে আটক করে স্থানীয় প্রশাসন। ওই অভিযানে আরো চার জেলেকে আটক এবং জব্দ করা হয় ইলিশ।

পটুয়াাখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ জানান, রোববার বিকেলে বাউফল উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং নৌ পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি দল অভিযানে নামে। এ সময় তেঁতুলিয়া নদীর ধুলিয়া পয়েন্টে ইলিশ শিকার করার সময় একটি ট্রলার আটক করা হয়। ওই ট্রলার থেকে বরিশাল বন্দর থানার জুলফিকার ও মোহাম্মদ আলী নামে দুই পুলিশ সদস্য এবং চার জেলেকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় দুটি স্পিডবোটসহ অন্যরা পালিয়ে যান।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। এরপর পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে জড়িতদের দুইদিনে চার পুলিশ অফিসার ও চার কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়। এছাড়াও পুরো ঘটনার তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম