ঢাকা, রোববার   ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ১১ ১৪২৫,   ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪০

নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার ও সাম্প্রদায়িকতা নিষিদ্ধের দাবি

খুলনা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৭:০৩ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:১০ ৮ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার, ভোটারদের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িকতা নিষিদ্ধের দাবিতে শনিবার দুপুরে খুলনায় সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।

মহানগরীর কনসেন্স মিলনায়তনে জনউদ্যোগ, খুলনার উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নারীনেত্রী অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা শীলু।

তিনি বলেন, নির্বাচন এলেই ধর্মকে ব্যবহার করার চেষ্ঠা করে রাজনৈতিক দলগুলো। তারা মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ ধর্মীয় উপাসনালয়কে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার চেষ্টা করে। প্রার্থীরাও ধর্মকে তার সুবিধা মত ব্যবহার করে থাকে।

নির্বাচন এলে ভোটারদের সামনে নিয়ে আসা হয় ধর্মীয় কিছু কথা। এতে করে ভোটাররা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। এটা কোনভাবেই কাম্য নয়। ভোটারা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তার ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনার ও সরকারকে করতে হবে। নির্বাচনের আগে ও পরে কোন প্রকার সহিংসতা না হয় তার জন্য এখন থেকেই প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সজাগ রাখতে হবে।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জনউদ্যোগ, খুলনার সদস্য সচিব একুশে টেলিভিশনের প্রতিনিধি মহেন্দ্র নাথ সেন, মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আফম মহসিন, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শ্যামল সিংহ রায়, নারীনেত্রী সুতপা বেদজ্ঞ, কনসেন্সের নির্বাহী পরিচালক সেলিম বুলবুল, পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতির মহাসচিব এস এম সোহরাব হোসেন, সেফের সমন্বয়কারী মো. আসাদুজ্জামান, দীপক কুমার দে প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে বক্তারা বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলমত, জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে সকলকেই এগিয়ে আসা প্রয়োজন। সরকারকে অনুরোধ করবো এ বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং জাতিসংঘ ঘোষিত জাতীয়তা অথবা গোষ্ঠীগত, ধর্মীয় এবং ভাষাগত সংখ্যালঘুদের অধিকার বিষয়ক ঘোষণাপত্র, ১৯৯২ এর অনুচ্ছেদ ১ এর অনুসরণে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বক্তারা আরো বলেন, দেশের সকল ধরনের নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন দায়িত্বপ্রাপ্ত। নির্বাচনকালীন- প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ মোতাবেক কাজ করতে বাধ্য। একটি স্পর্শকাতর জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে ধর্ম ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহারের আশঙ্কা করছে সকল পক্ষ। সেক্ষেত্রে যথাযথ নির্দেশনা দিতে এবং উপযুক্ত নির্দেশনা (যদি থাকে) মনিটরিং ও কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশন এখনও বিশেষ কোন উদ্যোগ নেয়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে