Alexa নির্বাচনী লক্ষ্যে সক্রিয় নেতারা

ঢাকা, শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬,   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০

বাগেরহাট-সদর 

নির্বাচনী লক্ষ্যে সক্রিয় নেতারা

 প্রকাশিত: ১৬:৪২ ২২ মার্চ ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দড়াটানা-ভৈরব নদীর তীরে বসতো যে হাট তার নাম বাগেরহাট। দেশের অতি প্রাচীন শহর- নগরের মধ্যে দক্ষিন জনপদের জেলা বাগেরহাট তাই নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ জেলার বড় দুই দল থেকে কে প্রার্থী হবেন তা নিয়ে চলছে ভোটার, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিশ্নেষণ।  

বাগেরহাট সদর-কচুয়া উপজেলায়  (বাগেরহাট -২) নির্বাচনের পরিসংখ্যান বিচারে এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি।

আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে আওয়ামী লীগের মীর শওকাত আলী বাদশার সঙ্গে নিজ দলের নেতাকর্মীদের রয়েছে বিরোধ। 

এবার মীর শওকাত আলী বদশা এমপি ছাড়াও আওয়ামী লীগ দলীয় সম্ভাব্য প্রাথী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র বাগেরহাট -১ আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু, যুগ্ম সম্পাদক পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি  শেখ আলী আহমেদ খোকন, বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের পরিচালক লায়ন এসএম মাহাবুবুর রহমান মিঠু, শেখ সারহান নাসের তন্নয়, আব্দুল বাকি তালুকদার, সাবেক এমপি মীর সাখাওয়াত আলী দারুর সহধর্মীনি ফরিদা আক্তার বানু (লুচি) ও সাংবাদিক আহাদ উদ্দিন হায়দার প্রমুখের নাম শোনা যাচ্ছে।

মীর শওকাত আলী বাদশা বলেন, বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এ অঞ্চলের নেতৃত্ব দেন। আমরা তার নির্দেশে  উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। আজ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। মংলা বন্দর, খুলনা -মংলা, দেশের একমাত্র মহিষ খামার, চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতসহ সর্বক্ষেত্রেই শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দক্ষিণ জনপদে উন্নয়ন হয়েছে। আগামীতে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

অন্যদিকে  জেলা বিএনপি’র সভাপতি এমএ সালামের সঙ্গে তার দলের নেতাদের বিরোধ থাকলেও ততটা প্রকট নয়।  দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এমএ সালাম এবং ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সহদপ্তর সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি মনিরুল ইসলাম খান।

এমএ সালাম বলেন, বাগেরহাট সদর আসন বিএনপি’র শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় নেতারা পুলিশ প্রশাসন দিয়ে বিএনপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রমে অব্যাহতভাবে বাঁধা দিয়ে আসছে। জেলা বিএনপি’র কার্যক্রমসহ কর্মীসভাও বাগেরহাটে করতে দেয়নি। খুলনায় গিয়ে করতে হয়েছে। আমাকেসহ দলের অসংখ্য নেতাকর্মীদের নামে নাশকতার মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। এরপরও বর্তমান সংসদ ভেঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া জাতীয় পার্টির হাজরা জাহিদুল ইসলাম বাবলু, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের অ্যাডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমান আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর