নির্ধারিত সূচিতে বিশ্বকাপ আয়োজন ‘বড় ঝুঁকি’

ঢাকা, শুক্রবার   ১০ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৬ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

নির্ধারিত সূচিতে বিশ্বকাপ আয়োজন ‘বড় ঝুঁকি’

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪৩ ২৯ মে ২০২০  

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ - ২০২০

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ - ২০২০

আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সেটি বাতিল হবার উপক্রম। তবে ক্রিকেটের প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এখনও কোন সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি। আইসিসি সিদ্ধান্ত না নিতে পারলেও, আয়োজক অস্ট্রেলিয়াই বলছে- এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ আয়োজন করাটা ‘বড় ধরনের ঝুঁকি’। 

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাহি কেভিন রবার্টস বলেছেন  নির্ধারিত সুচিতে ২০২০ সালে  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ‘বড় ঝুঁকিতে’ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সে বোর্ড সভা করে আইসিসি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ইঙ্গিত ছিলো। কিন্তু বিশ্বকাপ নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি আইসিসি। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্তের মুলতবি করেছে সংস্থাটি।

আইসিসি সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও, নিজ দেশে বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদি নয় স্বয়ং অস্ট্রেলিয়াই। 

ভিডিও কলে সাংবাদিকদের তেমনই বলেন রবার্টস। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা আশা করছি অক্টোবর-নভেম্বরেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বলতেই হচ্ছে ‘বড় ঝুঁকিতে’ রয়েছে প্রতিযোগিতাটি’।

নির্ধারিত সূচিতে না হলে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ভবিষ্যতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করা যেতে পারে বলে জানান রবার্টস। 
তিনি বলেন, ‘যদি প্রতিযোগিতাটি নির্ধারিত সময়ে না হতে পারে, তবে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ বা অক্টোবর-নভেম্বরে আয়োজন করা যেতে পারে’।

২০২১ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে বিশ্বকাপ হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ আগামী বছরের ঐ সময় ভারতে আরো একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি রয়েছে।

তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে, বিশ্বকাপ নিয়ে ভালোভাবে আলোচনা করা প্রয়োজন বলেও জানান রবার্টস। তিনি বলেন, ‘এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট আসর। বিশ্বকাপের জন্য খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, ভক্তরা অপেক্ষা করেন। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে  বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারে বুঝে-শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নয়তো, সমস্যার সৃষ্টি হবে’।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস