নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থায় ১০৪ কোটি টাকা দিচ্ছে নেদারল্যান্ড

.ঢাকা, বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১০ ১৪২৬,   ১৮ শা'বান ১৪৪০

নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থায় ১০৪ কোটি টাকা দিচ্ছে নেদারল্যান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ০৫:০৬ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ০৫:০৯ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকা শহরে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রায় ১০৪ কোটি টাকার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে নেদারল্যান্ড। 

‘সাপোর্ট ফর মডেলিং, প্লানিং এন্ড ইমপ্রুভিং ঢাকা’স ফুড সিস্টেম’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ সহায়তা দেয়া হবে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও’র তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

এ লক্ষ্যে বুধবার রাজধানীর শেরে-ই-বাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)-এর সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং এফএও’র মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ। আর এফএও’র পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির বাংলাদেশ রিপ্রেজেনটেটিভ রবার্ট শিম্পসন। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হেরি ভারউইজ উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ড স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ১০৪ কোটি টাকার অর্থ সহায়তা দেবে। যার মাধ্যমে ঢাকা শহরে কোথা থেকে খাদ্য আসছে, তার একটি ডাটা বেইজ তৈরি করা হবে। পরবর্তীতে এই ডাটার উপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার পেতে কোথায় কি কাজ করতে হবে, তা জানা যাবে। 

প্রকল্পের মাধ্যমে কোনো অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে না। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গবেষণার মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দেয়া হবে। যাতে করে তারা ব্যবস্থা নিতে পারেন। 

ইআরডি সচিব জানান, এটি একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প। এর মধ্যদিয়ে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা কিভাবে উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করা হবে। 

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে প্রতিদিনই খাদ্য আসছে। কিন্তু এগুলো কোথা থেকে আসছে, তা আমরা জানি না। বাজার থেকে কেনা ফল খেতে আমাদের ভয় পেতে হয়। কারণ অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার আশায় তাতে ফরমালিন প্রয়োগ করে থাকেন। এ বিষয়টিও এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা যায় কিনা সে বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাবে না। এজন্য প্রয়োজন উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বাড়ানো। তারা সচেতন হলেই নিরাপদ খাদ্য পাওয়া সম্ভব বলে জানান মনোয়ার আহমেদ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআইএস