.ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৬ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ১২ ১৪২৫,   ১৯ রজব ১৪৪০

৩৬০ ডিগ্রিতে বোলিং!(ভিডিও)

স্পোর্টস ডেস্ক :: sports-desk

 প্রকাশিত: ১৯:৪৬ ৮ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৯:৫০ ৮ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটে কত অদ্ভুত ঘটনাই না ঘটে। অনেক ব্যাটসম্যান এবং বোলাররাই বিভিন্ন স্টাইলে ব্যাটিং এবং বোলিং করে ক্রিকেট বিশ্বে শোরগোল ফেলেছেন। শ্রীলংকান পেসার লাসিথ মালিঙ্গা, দক্ষিণ আফ্রিকান চায়নাম্যান পল এডামস তাদের মধ্যে অন্যতম। এছাড়া ব্যাটিংয়ে শিব নারায়ন চন্দরপল এবং এবিডি ভিলিয়ার্স তাদের ব্যাটিং স্টাইলের জন্য বিখ্যাত হয়েছেন। ঠিক তেমনই এক বোলিং স্টাইল দেখা গেল ভারতের উত্তরপ্রদেশে।

৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটিংয়ের জন্য বিখ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান এবিডি ভিলিয়ার্স। এবারে ৩৬০ ডিগ্রিতে বোলিং করলেন শিবা সিংহ নামের এক বাঁহাতি স্পিনার। আর সেই বোলিংয়ের ভিডিও টুইটারে পোস্ট করে রীতিমত বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন ভারতীয় জাতীয় দলের সাবেক তারকা স্পিনার বিষেণ সিংহ বেদী।

ঘটনাটি গত সপ্তাহে কল্যাণীতে। অনূর্ধ্ব-২৩ সিকে নাইডু ট্রফিতে উত্তরপ্রদেশ বনাম বাংলার ম্যাচে বিতর্কিত ঢঙে বল করেন উত্তরপ্রদেশের বাঁ-হাতি স্পিনার শিবা সিংহ। ভিডিওতে দেখা যায় বল ছাড়ার ঠিক আগে একপাক ঘুরে নিচ্ছেন তিনি। তার ডেলিভারি কোনো রকমে সামলান ব্যাটসম্যান। সঙ্গে সঙ্গে আম্পায়ার বিনোদ সেশান ডেড-বল ডাকেন। বোলার অন্যায় ভাবে ব্যাটসম্যানের ফোকাস নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন বলে জানান তিনি।

বছরের গোড়ায় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলা শিবা অবাক হয়ে যান আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে। ফিল্ডারদেরও হতভম্ব দেখায়। আম্পায়ারের কাছে কারণ জানতে চান তারা। কিন্তু, আম্পায়ার বিনোদ সেশান ও স্কোয়ার লেগ আম্পায়ার রবি শঙ্কর নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর অনড় থাকেন সিদ্ধান্তে।

ক্রিকেটীয় নিয়মে এমন ধরনের বোলিং নিয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো আইন নেই। তবে ক্রিকেট আইনের ৪১.২ ধারায় বলা আছে কোনও অ্যাকশন অনৈতিক মনে করবেন কিনা, তা আম্পায়ারদের উপর বর্তায়। তারাই বৈধ ভাবে খেলা হচ্ছে কিনা তা ঠিক করবেন। ডেড বল ডাকার সিদ্ধান্তও তারাই নেবেন। ৪১.৯ ধারাতেও বলা হয়েছে যে আম্পায়ার যদি কোনও অ্যাকশনকে অন্যায় মনে করেন, তবে তা ডেড-বলে হিসেবে চিহ্নিত করতেই পারেন। আম্পায়ার তেমন হলে অধিনায়ককে ডেকে সতর্কও করে দিতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে পাঁচ রানের পেনাল্টিও ধার্য করতে পারেন।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন... 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ