নিজের সম্পর্কে জানুন ফোন ব্যবহারের ধরন দেখেই!

ঢাকা, শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২০ ১৪২৬,   ০৯ শা'বান ১৪৪১

Akash

নিজের সম্পর্কে জানুন ফোন ব্যবহারের ধরন দেখেই!

লাইফস্টাইল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৫৭ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১২:০১ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আমাদের চারপাশে সবাই ব্যস্ত অন্যকে নিয়ে সমালোচনা করা নিয়ে। নিজের দোষ গুণগুলো নিয়ে চিন্তা করাটা কখনোই তারা প্রয়োজন মনে করেন না। তবে নিজের স্বভাব সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি নিজেই জানেন নিশ্চয়!

তবে অনেকেই এমন আছে যারা নিজেদের স্বভাব সম্পর্কে একদমই অজ্ঞ। তবে নিজেকে নিজে চেনাও আবার এতটা সহজ নয়। তবু আমাদের তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকে নিজেকে চেনার। সম্প্রতি এক জরিপে উঠে এসেছে অবাক করা তথ্য। ফোন ব্যবহারের ধরন বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন! চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ফোন ব্যবহারের ধরন দেখে নিজেকে চেনার উপায়-

অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ফ্লোরা সালিম বলেন, ‘ফোনে কথা বলার সময় আমরা কতটা জোরে হাঁটি, কতটা পথ হাঁটি, রাতে কখন ফোনে কথা বলি, এসব থেকে আমাদের ব্যক্তিত্ব বোঝা যায়।’ আবার সারাদিন বা সপ্তাহভর কে কেমন কাজ করছে, তার ভিত্তিতেও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

> যারা সপ্তাহজুড়ে ফোনে সমান সক্রিয় থাকেন, তারা হলেন ইন্ট্রোভার্ট অথবা অন্তর্মুখী। বহির্মুখী বা এক্সট্রোভার্ট চরিত্রের মানুষ সপ্তাহভর নানা রকম লোকের সঙ্গে দেখা করেন। পরিকল্পনা ছাড়াই নতুন কাজে নেমে পড়েন।

> ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তিরা খুব অল্পদিনের মধ্যে একই মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। সংবেদনশীল নারীরা খুব ঘনঘন মোবাইল দেখেন, এমনকি মাঝরাতেও, নতুন কিছু এলো কি না ফোনে, দেখে নেন বারবার। আবার সংবেদনশীল পুরুষেরা ঠিক তার উল্টোটা করেন।

> অমায়িক চরিত্রের মানুষেরা সাধারণত সপ্তাহান্তে অথবা সপ্তাহের বাকি দিনগুলোয় সন্ধ্যাবেলা ব্যস্ত থাকেন বেশি। বন্ধুত্বপূর্ণ অথবা দয়াশীল চরিত্রের নারীরা ফোনে আউট গোয়িং কল খুব বেশি করেন।

> নিরাসক্ত ধরনের লোকেরা খুব কম ফোন রিসিভ করেন।

মানুষের ফোন সংক্রান্ত এসব ব্যবহার দেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নানা কাজ করে। যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্রেন্ড রেকমেন্ডেশন আসে গ্রাহকের ব্যবহার নিয়ে গবেষণার পরেই। কিন্তু তারপরেও যেটি সবচেয়ে মজার বিষয়, আমরা নিজেদের চরিত্র সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারি। অনেক অভ্যেস, আচরণ আমরা সচেতন ভাবে করিনা- জানালেন আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিরত ন্যান গাও।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ