রোহিঙ্গা
শিরোনাম:
ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে ভিসি’র অফিসের সামনে বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে ঢাবি ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ফেডারেশন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা লিংকরোড অবরোধ করেছে ব্লগার নিলয় হত্যার প্রতিবেদন দাখিল ১৫ নভেম্বর ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে জার্মানি, দ্বিতীয় ব্রাজিল, বাংলাদেশের অবস্থান ১৯৬তম ১৯ নভেম্বর মিয়ানমার যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১২ জানুয়ারি
শিরোনাম:
ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে ভিসি’র অফিসের সামনে বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে ঢাবি ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ফেডারেশন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা লিংকরোড অবরোধ করেছে ব্লগার নিলয় হত্যার প্রতিবেদন দাখিল ১৫ নভেম্বর ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে জার্মানি, দ্বিতীয় ব্রাজিল, বাংলাদেশের অবস্থান ১৯৬তম ১৯ নভেম্বর মিয়ানমার যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১২ জানুয়ারি...

না খেয়ে শুকনা হব!

প্রকাশিত: ১৫:৪০, ১১ অক্টোবর ২০১৭

আপডেট: ২১:৪০, ১২ অক্টোবর ২০১৭

৬০ বার পঠিত

কিশোর বয়সে খাবার নিয়ে আজকালকার ছেলেমেয়েদের রয়েছে নানা ধরনের হিসাব। ওজন কমিয়ে ফেলতে হবে খুব দ্রুত, থাকতে হবে একদম হিসাব করা শারীরিক মাপে, দেখতে হতে হবে সবার থেকে ভালো। তার ওপর এটা খাব না, সেটা খাব না বা এতে ওজন বেড়ে যাচ্ছে, তাতে ওজন কমে যাচ্ছে। কিন্তু এই বয়সে ঠিকমতো না খেয়ে বা এটা-সেটা খাবার বাদ দিয়ে তারা আসলে ঠিক করছে, না ভুল?

এ ব্যাপারে ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘সাধারণত আমাদের দেশের ছেলেদের উচ্চতা বাড়ে ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত আর মেয়েদের ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত। এরপর অনেকের ক্ষেত্রেই উচ্চতা বাড়ে না। এর মধ্যে কেউ যদি প্রোটিন, শর্করা বা অন্য সব খাবার খাওয়া বন্ধ করে দেয়, তাহলে তার উচ্চতা কমে যাবে, পরবর্তী সময়ে নানা ধরনের অসুখ হতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, পরে ওজন কমানো যাবে কিন্তু একবার উচ্চতা বাড়ার বয়স শেষ হয়ে গেলে পরে কিন্তু আর লম্বা হওয়ার সুযোগ থাকবে না।’

অনেকের ধারণা, বাচ্চা মোটা হয়ে গেলে বা তার নির্দিষ্ট ওজন ছাড়িয়ে গেলে সে আর লম্বা হবে না—এটা একেবারে ভুল ধারণা। বাচ্চা লম্বা হওয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। আজকাল টিন এজ ছেলেমেয়েরা প্রোটিন খেতে চায় না। অনেকের কাছে শোনা যায়, আমি ডিম বা দুধ খাই না, তবু ওজন বেড়ে যাচ্ছে। আসলে প্রোটিন না নিলে ওজন কমে যাবে, এটাও আরেকটা ভুল ধারণা। বরং এখন শর্করা বা প্রোটিন ঠিকমতো না নিলে অন্য সব ঝামেলা হবে। এই বয়সে খাবার খেতে হবে ঠিকমতো, নিজের বাড়তি যত্ন নিতে হবে ক্যালরি হিসাব করে। না খেয়ে ওজন কম রাখতে চাইলে তারা নিজেদের ক্ষতিই করছে তাতে।

ঠিকমতো খাবার খাওয়া বা বেশি ক্যালরির খাবার বলতে অনেকেই ধরে নেন বাইরের তেলে ভাজা বা পোড়া খাবার। এটিও কিন্তু ভুল ধারণা। বাইরে খাওয়া বন্ধ করে খেতে হবে বাড়িতে তৈরি পুষ্টিকর খাবার। কৈশোরে কেউ যদি একটু বাড়তি সচেতনতা রাখতে চায়, তাহলে তাকে শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে। এ সময় প্রয়োজনীয় চর্বি, প্রোটিন, শর্করা, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সবকিছু খেতে হবে ভরপুর। প্রয়োজনের চেয়ে কম নয়, খেতে হবে প্রয়োজন অনুসারে। আর একটু বেশি হয়ে গেলেও তাতে ভয়ের কিছু নেই। খেয়াল রাখতে হবে, কৈশোরের পর জীবনের আরও অনেক ধাপ আসবে। এখন কেমন দেখাচ্ছে এই ভয়ে পরবর্তী সময়ে বড় ঝামেলা তৈরি করে আসলে নিজেকে সুন্দর রাখা যাবে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/আর কে

Share With Friends!

সর্বাধিক পঠিত