Alexa নালিতাবাড়ীতে কালোবাজারে চাল বিক্রি, ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকা, বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯,   কার্তিক ২৯ ১৪২৬,   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

নালিতাবাড়ীতে কালোবাজারে চাল বিক্রি, ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৩৭ ১ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরের চাল কালোবাজারে বিক্রির সময় ৪০ বস্তা চাল, ৮০টি সরকারি বস্তা ও বহনকারী ট্রাকসহ পাঁচজনকে আটক করেছে শেরপুরের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় শুক্রবার ডিবি পুলিশের এসআই হাসিবুল হাসান বাদী হয়ে ডিলারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

উপজেলার নন্নী ইউপিতে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকাভুক্ত সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২শ জন। এসব সুবিধাভোগীর মধ্যে বছরে দুইবারে মোট ৫ মাস ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির জন্য দুইজন ডিলার নিয়োগ করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলাররা হলেন- ফিরোজ চৌধুরী ও তানভীর আহমেদ।

বৃহস্পতিবার রাতে ডিবি পুলিশের টহল দল নন্নী বাজার এলাকায় যায়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালোবাজারে বিক্রি করা ট্রাকভর্তি চাল চ্যালেঞ্জ করে তারা। পরে ওই ট্রাকে ডিলার ফিরোজ চৌধুরীর মালিকানাধীন ৪০ বস্তা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল পাওয়া যায়। কিন্তু বস্তাগুলোতে সরকারের সিল না থাকায় ডিলারের গুদামে অভিযান চালায় পুলিশ। 

অভিযানে গোদাম থেকে সরকারি সিলযুক্ত ৮০টি বস্তা উদ্ধার করা হয়। পরে রাতেই চালভর্তি ট্রাক  ট্রাকচালক ও শ্রমিকসহ পাঁচজনকে আটক করে পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 

শুক্রবার ডিবি পুলিশের এসআই হাসিবুল হাসান বাদী হয়ে পলাতক ডিলার ফিরোজ চৌধুরী, ট্রাকচালক মতিন মিয়া, শ্রমিক জহুরুল মিয়া, জুয়েল মিয়া, আনিস মিয়া ও মিস্টারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। 

নালিতাবাড়ী থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে, নন্নী উত্তরবন্দ গ্রামের কার্ডধারী শাহ আলম জানান, প্রায় এক বছর আগে ডিলার তার কাছ থেকে কার্ডটি নিয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে দুইবার চাল বিক্রি করা হলেও তার কাছে বিক্রি করা হয়েছে একবার। 

কন্যাডুবি গ্রামের বাসিন্দা কার্ডধারী রাশেদুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই বছর আগে তিনি কার্ড পেয়েছেন। প্রথমদিকে সঠিকভাবে তিনি চাল ক্রয় করতে পারতেন। কিন্তু এক বছর আগে তার কাছ থেকেও কার্ডটি নিয়ে নেয় ডিলার। ফলে এখন সঠিকভাবে তিনি চাল ক্রয় করতে পারেন না। 

ছাইচাকুড়া গ্রামের কার্ডধারী মুক্তা বেগম জানান, তার কাছ থেকেও এক বছর আগে কার্ড নিয়ে গেছে ডিলার। চাল ক্রয় করতে গেলে বরাদ্দ আসেনি বলে জানিয়ে দেয়া হয়। 

এ ব্যাপারে ডিলার ফিরোজ চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ