Alexa নামের মিল থাকায় জেল খাটছেন চা দোকানি

ঢাকা, বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৬ ১৪২৬,   ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

নামের মিল থাকায় জেল খাটছেন চা দোকানি

গাজীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:০৬ ২১ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রকৃত আসামির নামের সঙ্গে নাম ও বাবার নামের মিল থাকায় এক চা দোকানিকে জেলে পাঠালেন পুলিশ। পাঁচ দিন ধরে জেল খাটছেন নিরাপদ চা দোকানি রফিকুল ইসলাম।

গত শুক্রবার বিকেলে তার চায়ের স্টল থেকে তাকে গ্রেফতার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামলার মূল আসামি রফিকুল ইসলামের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ  ১৬ জানুয়ারি ১৯৮০, বাবা- নুর মোহাম্মদ, মা- রহিমা খাতুন এবং ভোটার সিরিয়াল নম্বর ১৬১১। 

পুলিশের ভুলে গ্রেফতার হওয়া কেওয়া পশ্চিম খন্ড মসজিদ মোড় এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. রফিকুল ইসলামের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ ২ এপ্রিল ১৯৭৭, মায়ের নাম জামিনা খাতুন।

কয়েক বছর আগে শ্রীপুর বনবিভাগ অবৈধ করাতকলে গজারি গাছ কাটার অভিযোগে শ্রীপুর পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়া পশ্চিম খন্ডের নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. রফিকুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করে। 
পরবর্তীতে মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গত শুক্রবার (১৭জানুয়ারী) শ্রীপুর থানার এএসআই কফিল উদ্দিন আদালতের পরোয়ানা তামিল করতে কেওয়া পশ্চিম খন্ড গ্রামের মসজিদ মোড় এলাকায় যান। সেখান গিয়ে তিনি নুর মোহাম্মদের ছেলে রফিকুল ইসলামকে খুঁজতে থাকেন। মসজিদ মোড়ের পাশেই চা দোকানি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে বলে জানান তিনি। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বললে স্থানীয়রা জানান, তিনি কখনই কাঠের ব্যবসা করেননি এবং মূল আসামি তিনি নন। এ সময় চা দোকানি রফিকুলও পুলিশের কাছে খুব অনুরোধ করছিল। কিন্তু পুলিশ কারো কথা না শুনে চা দোকানি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান।  

মামলার প্রকৃত আসামি রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘ ২০-২২ বছর ধরে কাঠের ব্যবসা করছেন। এ পর্যন্ত বন বিভাগ কারণে অকারণে কয়েকটি মামলা দিয়েছিল। যে মামলাটিতে পুলিশ ভুল করে চা দোকানি রফিকুলকে গ্রেফতার করেছে। সে মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানার এএসআই কফিল উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। 

এ বিষয়ে গাজীপুরের এসপি শামসুন্নাহার জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ