নানা সমস্যায় শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

.ঢাকা, শুক্রবার   ২৬ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১৩ ১৪২৬,   ২০ শা'বান ১৪৪০

নানা সমস্যায় শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

 প্রকাশিত: ১৮:৫৭ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৯:০৩ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মাগুরা জেলায় শ্রীপুর উপজেলা থানা থেকে উপজেলায় রুপান্তর হয় ১৯৮৩ সালে। ৮ টি ইউপির দেড় লক্ষ মানুষের একমাত্র হাসপাতাল শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নানা সঙ্কটে নিজেই জর্জরিত।

১৯৬৭ সালে ৩১ শয্যা নিয়ে উক্ত এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দিতে যাত্রা শুরু হয়।এখন ৫০ শয্যায় রুপান্তর হয়েও সঙ্ককটগুলো আরো ভোগাচ্ছে এই এলাকার মানুষদের শুরু থেকেই হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারের লাইটসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি অকেজো। দীর্ঘদিন ধরে অচল এক্সরে মেশিনটি। অজ্ঞান করা মেশিন (এনেসইথয়া মেশিন) টিও নেই যার কারণে গুরুত্বপূর্ন অপারেশন করা সম্ভব হয় না কোন কালেই। 

জানা যায়, এখানে নানা সময়ে চিকিৎসক সঙ্কট থাকে। যারা আসেন তারা খুব অল্প সময়ে তদবির করে নিজেরাই বদলি হয়ে চলে যান মাগুরা সদর হাসপাতালে। অথচ উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসকদের দুই বছর থাকার কঠোর নির্দেশ আছে।এখানে তিনজন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছেন কাগজ কলমে দুজন,যার মধ্যে একজন কর্মরত অন্যজন মাগুরা সদর হাসপাতালে প্রেষনে,ফলে একজন চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা। 

হাসপাতালের সূত্র মতে,এখানে ডেন্টাল ইউনিট নেই অনেকদিন।কাগজে একজন থাকলেও তিনি প্রেষনে মানিকগঞ্জ রয়েছেন। হাসপাতালটির নিরাপত্তা প্রহরী দুইজন থাকার কথা থাকলেও নেই। ফলে হাসপাতালটি অরক্ষিত হয়ে আছে রাতদিন। পাঁচদিন অফিস পিয়ন থাকার স্থলে দুইজন রয়েছেন। জুনিয়র মেকানিক একজন থাকার কথা থাকলেও শূন্য রয়েছে ফলে হাসপাতালের ছোটখাটো যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত দীর্ঘসময়ের ব্যাপার হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ন পদ গুলোতে একে তো শূন্য অন্যদিকে হাসপাতালের খাতা কলমে থাকলেও বেশির ভাগ প্রেষনে মাগুরা সদর হাসপাতাল সহ কৃষ্টিয়া,মানিকগন্জ জেলা মনিরামপুর রয়েছে। 

শ্রীপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০১৩ সালে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যা করা গেলেও যন্ত্রপাতি সহ আনুষঙ্গিক সুবিধা না পাওয়ায় সেই ৩১ শয্যার মতই হয়ে আছে। মোট পদবী ১২৩ জনের বিপরীতে হাসপাতালটিতে শূন্য রয়েছে ৪৪টি অর্থ ৪৩% পদই শূন্য। জনবল সংকট যন্ত্রপাতির সমস্যার কথা  জানানো হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।এর ভেতর দিয়েই চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে। 

উপজেলা স্বাস্থ্য  কর্মকর্তা  ডাঃ রইচউদ্দিন  জানান,গুরুত্বপূর্ন যন্ত্রপাতিগুলো নষ্ট অনেকদিন ধরে,কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে লিখিতভাবে। হাসপাতালটির পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য  শূন্য থাকা সুইপার সমস্যা,পরিসংখ্যানবিদ,মেকানিক,হিসাবরক্ষক,নার্স, অফিস পিয়ন সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ন পদে লোকবল দেয়ার জন্য চেষ্টা চলছে যেন মানুষ নির্বিঘ্নে সেবা পান। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম