Alexa নানা প্রতিশ্রুতিতে বাঁচাও হকি পরিষদের ইশতেহার ঘোষণা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৯ ১৪২৬,   ২৪ মুহররম ১৪৪১

Akash

নানা প্রতিশ্রুতিতে বাঁচাও হকি পরিষদের ইশতেহার ঘোষণা

ক্রীড়া প্রতিবেদক   ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০০:৫২ ২৬ এপ্রিল ২০১৯   আপডেট: ০৭:০৮ ২৬ এপ্রিল ২০১৯

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

দীর্ঘদিন পর আবারো হকিতে নির্বাচনের হাওয়ায়। নানা জটিলতা পার করে ২৯ এপ্রিল নির্বাচন হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনের আলোচিত এই ফেডারেশনের। তারই ধারবাহিকতায় এক আড়ম্বরপূর্ন অনুষ্ঠান করে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা করলেন রশিদ-সাঈদ নেতৃত্বাধীন বাঁচাও হকি পরিষদের সাধারন সম্পাদক প্রার্থী মুমিনুল হক সাঈদ।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি হোটেলে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা প্রতিশ্রুতিতে নির্বাচিত হলে আগামি চার বছর হকির উন্নয়ন, প্রচার ও প্রসারের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করবেন বলেও জানালেন তিনি।

বাঁচাও হকি পরিষদের ইশতেহারে বলা হয় হকির ভবিষ্যত কার্যক্রম কয়েকটি কমিশনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। কমিশনগুলো হলো, ডেভেলপমেন্ট কমিশন, হাই পারফরমেন্স কমিশন, কম্পিটিশন কমিশন, ট্রেনিং অ্যান্ড মনিটরিং কমিশন এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিশন।
মুমিনুল হক সাঈদ স্পষ্টতই বলেন, ‘ডেভেলপমেন্ট কমিটির অধীনে হবে বিভাগীয় হকি প্রতিযোগিতা, জেলা লিগ, আন্ত:জেলা ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশিপ, জাতীয় যুব হকি, বাংলাদেশ গেমস, যুব গেমস, স্কুল হকি, মহিলা হকি, উপজাতি হকি, প্রতিভা অন্বেষন ও জাতীয় দল গঠন প্রক্রিয়া। জাতীয় মুল দলের বাইরে থাকবে, অলিম্পিক অর্থাৎ অনুর্ধ্ব ২৩, ১৮, ১৬ দল। ভুর্তুকি দিয়ে হলেও মহিলা হকি দলের প্রশিক্ষন ও টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হবে।’

জাতীয় ও অলিম্পিক দলের খেলোয়াড়দের বিদেশী লিগ খেলার সুযোগ তৈরি করে দেয়া ও ইন্স্যুরেন্সের আওতায় আনার কথাও বলা হয় ইশতেহারে। কম্পিটিশন কমিশনের বরাত দিয়ে বলা হয়, আগামি বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে বিশ্বমানের দলগুলোর অংশগ্রহনে একটি আমন্ত্রনমুলক আন্তর্জাতিক হকি করা হবে। তাছাড়া প্রিমিয়ার লিগের জট কমানো হবে। প্রতিবছরই যাতে লিগটি হয় সেদিক বিবেচনায় আন্তর্জাতিক সূচীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রিমিয়ার লিগের দিনক্ষন ঠিক করা হবে। লিগ স্ট্যান্ডিং অনুসারে ক্লাবগুলোকে প্রাইজমানি দেয়া হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ নিয়ম অনুযায়িই হবে। আরো থাকবে ফেডারেশন কাপ, কর্পোর্টে হকি লিগ। নতুন চমক হিসেবে থাকবে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ঢাকা প্রিমিয়ার হকি লিগ।

আধুনিক হকিতে বিশ্বাসী রশিদ-সাঈদ প্যানেল। ইশতেহারে তারা কেন্দ্রীয় ডাটা বেস ও সকল খেলোয়াড়কে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত করতে চান। ডাটাবেসের মাধ্যমে একটি ইউনিক রেজিস্ট্রেশন নাম্বার প্রদান করবেন। যেখানে একজন খেলোয়াড়ের প্রোফাইল থাকবে। প্রতিবছর এজিএম করারও ঘোষনা দেয়া হয় এই প্যানেল থেকে।

ইশতেহারে দেয়া বিষয়গুলো সঠিক ভাবে পালন করতে চান সাঈদ। তার কথায়, ‘আমাকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন। হকি আছে তারপরও কেন বাঁচাও হকি পরিষদ নাম দিলাম। হকির সবই আছে কিন্তু সঠিক কার্যক্রম নেই। আমরা ক্ষমতায় এলে ঠিকই হকিকে বাঁচিয়ে তুলবো। কাউন্সিলররা আমাকে নির্বাচিত করলে আল্লাহ চাহে তো আগামি চার বছর হকির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দেবো।’

বাঁচাও হকি পরিষদে রয়েছেন, সহ সভাপতি প্রার্থী- আব্দুর রশিদ সিকদার, সৈয়দ মোস্তাক আলী মুকুল, সারওয়ার হোসেন, মাহমুদ রিবন, নুরে আলম খোকন, সাধারণ সম্পাদক- মুমিনুল হক সাঈদ, যুগ্ম সম্পাদক- কামরুল ইসলাম কিসমত, আনোয়ারা সরকার, কোষাধ্যক্ষ- হাজী মো: হুমায়ুন, সদস্য - খাজা তাহের লতিফ মুন্না, বদরুল ইসলাম দিপু,  মো: আসলাম, মো: তারিকউজ্জামান, সাফায়েত হোসেন ডালিম, জামিল আব্দুন নাসের, রফিকুল ইসলাম কামাল, নুরুল ইসলাম ফারুকী, মোস্তাক হোসেন মোনা, কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ, রেজাউল করিম রিপন, শহিদ উল্লাহ টিটু, মেহেদী হাসান, মাহফুজুল আলম, মো: হোসেন মনির ও হাজী এম এ সাত্তার।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস