Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

নব্বই দশকের ১০ আইকনিক গাড়ী

নিউজ ডেস্কডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
নব্বই দশকের ১০ আইকনিক গাড়ী
ফাইল ছবি

নব্বইয়ের দশক এমন একটা সময় ছিল যা হাজার বছরের মধ্যে খুবই কম আসে। বিশেষ করে অটোমোবাইল জগতে এই দশকটি ছিল অবিস্মরণীয়।

এই দশকে বাজারে এমন কিছু গাড়ী এসেছে যা গাড়ী নির্মাণ শিল্পে এক নতুন যুগের সৃষ্টি করেছিল।

অটোমোবাইল শিল্পে নতুন যুগের সৃষ্টিকারী এমনই ১০টি আইকনিক গাড়ী সম্পর্কে জানাবো যেগুলো নব্বইয়ের দশকে তৈরি হয়েছে।

(১) মাযদা মিয়াটা (Mazda Miata)

মাযদা মিয়াটা : source: cars.com

এই গাড়ী সম্পর্কে একটি কথা আগে প্রায়ই শুনে থাকবেন, সেটি হচ্ছে, “মিয়াটা সব সময়ের উত্তর।”

বিশেষ এই রোডস্টার নিজেকে গাড়ীর জগতে বিশেষ একটি ধারা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে। মাযদাকে মিয়াটার প্রথম প্রজন্মের (এন.এ) গাড়ী নির্মার্ণের ক্ষেত্রে কিছু সঠিক কাজ হয়েছিল।

মাযদা প্রথম আট বছরের মধ্যে এন.এ মডেলের মোট ৪ লাখ চেসিস বিক্রি করেছে এবং এটি ঐ শ্রেণীর গাড়ী হিসেবে বিক্রিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।

কিন্তু ছোট দুইটি সিটের এই গাড়ীতে কোনো অভিনব টার্বো, কোনো চমক এবং কোনো ছাদ নেই। মিয়াটা গাড়ীতে ছিল ১.৬ লিটারের চার সিলিন্ডারের ইঞ্জিন এবং এটি ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।

মাযদা কর্তৃপক্ষ গাড়ীর শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য ২২১ সিসির পরিবর্তনশীল ইঞ্জিন যুক্ত করা হয়। এটি ১৩৩ অশ্বশক্তি শক্তি অর্জন করতে পারতো কিন্তু মাত্র ২১৮০ পাউন্ড ওজনের গাড়ী হিসেবে এটি অনেক কম ছিল।

ধীর গতির এই গাড়িটি ঘন্টায় ৬০ মাইল গতি তুলতে ৮ সেকেন্ডের বেশী সময় নিতো। তবে এই গাড়ীটি তুলনামূলকভাবে অনেক সস্তা ছিল। ১৬ হাজার ডলার দাম হওয়ার কারণে মাযদা অনেক বেশী বিক্রয় করতে পেরেছিল।

নব্বইয়ের দশকের এই গাড়ী এখনো বিক্রয়ের বিজ্ঞাপন দেখা যায় এবং মানুষ এগুলোকে হটকেকের মতো কিনে নেয়।

(২) মিতসুবিশি এক্লিপস (Mitsubishi Eclipse)

মিটসুবিশি এক্লিপস ; source: car.usnews.com

মিতসুবিশি ১৯৮৯ সালে ক্রাইসলারের সাথে যুক্ত হয়ে ডায়মন্ড স্টার মটরস (ডিএসএম) নামে যাত্রা শুরু করে।

এই কোম্পানি প্রায় অভিন্ন তিনটি আইকনিক গাড়ী তৈরি করেছিল, গাড়ীগুলো হচ্ছে দ্য মিতসুবিশি এক্লিপস, দ্য ঈগল ট্যালন এবং দ্য প্লাইমাউথ লেজার।

কিন্তু মিতসুবিশি এক্লিপস ছিল গাড়ী নির্মাণ শিল্পের এক সেরা বিবর্তন, যেটি ৪জি৬৩ নামেও পরিচিত ছিল। ৪টি সিলিন্ডারের টার্বো ইঞ্জিন চার চাকাতে ২১০ হর্স পাওয়ার শক্তি তৈরি করতে পারতো। আপগ্রেড মডেলে ‘১৬জি’ মডেলের টার্বো ইঞ্জিন ৩৫০ হর্স পাওয়ার শক্তি তৈরি করতে পারতো।

(৩) আকুরা এনএসএক্স (Acura NSX)

আকুরা এনএসএক্স; source: carsanddriver.com

নব্বইয়ের দশক ছিল হোন্ডা ও আকুরার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চূড়ান্ত ধাপ। হোন্ডা সিভিক, আকুরা ইন্টেগ্রা ছিল নতুন স্পোর্টস কার হিসেবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

আকুরা এনএসএক্সস ছিল এমন একটি গাড়ী যা একমাত্র তারাই তৈরি করতে পারতো। নব্বইয়ের দশকের শেষে হোন্ডা ২৯০ হর্স পাওয়ারের ৩.২ লিটারের ভি-৬ ইঞ্জিন যুক্ত করে এই গাড়ীটি বাজারে ছাড়ে।

এনএসএক্স ছিল বিশ্বের প্রথম অ্যালুমিনিয়াম বডির গাড়ী। এনএসএক্স স্টিলের তৈরি গাড়ীর থেকে ৫০০ পাউন্ড কম ওজনের গাড়ী ছিল। এই গাড়ীর ওজন ছিল ৩ হাজার ১০ পাউন্ড।

সাবলীল ইন্টেরিয়র ডিজাইনের এই গাড়ীর দাম ছিল সেই সময়ের শেভি করভেট জেডআর ১ এর সমান। আকুরা এনএসএক্স ছিল সবার সুপারকার।

(৪) মাযদা আরএক্স-৭ (Mazda RX-7)

মাযদা আরএক্স-৭; source: carmodelz.com

মাযদার রোটারি এক্সপেরিমেন্ট বা আরএক্স বিভাগ নব্বইয়ের দশকে এক বিষ্ময়কর মাহাত্মের শিখরে পৌঁছে যায়।

তারা প্রথম এফডি(FD) চেসিসের সাথে পরিচয় করে দেয় যা ছিল অটোমোবাইল জগতে মানুষের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ অবদান। এফডি আরএক্স-৭ ছিল সেই সময়ে তৈরি হওয়া ভিন্ন ধরনের গাড়ী।

এই গাড়ীর ২৭৬ হর্স পাওয়ারের শক্তি অর্জনের ক্ষমতার জন্য জাপানের অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ধন্যবাদ দিতেই হবে। এই গাড়ীতে ব্যবহার করা হয়েছে ১.৩ লিটারের ওয়াঙ্কল মটরের জোড়া টার্বো চার্জার।

(৫) বিএমডব্লই এম৩ (BMW M3)

বিএমডব্লই এম৩; source: evo.co.uk

নব্বইয়ের দশকে বিএমডব্লিউয়ের অবদান অন্য তিনটি সিরিজের থেকে কম নয়। কিন্তু বিএমডব্লিউয়ের এম৩ মডেলের গাড়ীটি অন্য সবগুলোর থেকে উপরে রয়েছে।

বিএমডব্লিউয়ের এই গাড়ীটি প্রথমে ইউরোপে বাজারজাত করা হয় এবং তারপর যুক্তরাষ্ট্রে।

ইউরোপে যেসব গাড়ী অবিক্রিত থেকেছে সে সকল গাড়ী যুক্তরাষ্ট্রে বাজারজাত করা হয়, তবু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সেই সময় এটি ছিল সেরা গাড়ী।

এই গাড়ীর ট্রান্সমিশন যখন বাড়ানো হয় তখন মনে হতো যেন মাখনের মধ্যে গরম ছুরি চালানো হচ্ছে।

ইউরোপিয়ার স্পেক এস৫০বি৩০ মডেলের ছোট স্পোর্টস ইঞ্জিন হওয়ার কারণে যে কোনো ব্যবসায়ী এই গাড়ীকে কর্মক্ষেত্রে নিয়ে যেতে পারতো।

ই৩৬এর চেসিস ডেভেলপমেন্টের প্রধান গারহার্ড রিচটার বলেন, “যান্ত্রিকভাবে এটি একটি নিখুঁত ইঞ্জিন।” কয়েক বছর পরে এই গাড়ীর ইঞ্জিন পরিবর্তন করে এস ৫০বি৩২ লাগানো হয় এবং এই ইঞ্জিন ৬ স্পিডের ম্যানুয়াল গিয়ার বক্সের সাথে ৩২১ হর্স পাওয়ারের শক্তি অর্জন করতে পারতো।

(৬) টয়োটা সুপ্রা (Toyota Supra)

টয়োটা সুপ্রা ; source: streettoyota.com

চতুর্থ প্রজন্মের টয়োটা সুপ্রা গাড়ী ফাস্ট এ্যান্ড ফিউরিয়াস মুভি দেখে বড় হওয়া প্রায় সব বালকই পেতে চাইতো।

কমলা রঙের গাড়ীটি যখন পল ওয়াকার চালাতো, সেভাবে গাড়ী চালানো তখন ছিল সবার স্বপ্ন কিন্তু আপনি কিছু স্বপ্নকে বাস্তবেও রূপ দিতে পারেন।

অখ্যাত ২ জেজেড-জিটিই মডেলের গাড়ীর হুডে নিচে বসে আপনি যা চান তাই করতে পারবেন। ৩.০ লিটারের জোড়া টার্বোচার্জারযুক্ত ইঞ্জিনের গাড়ীটি যখন কারখানা থেকে বের হয় তখন এটি ৩২০ হর্স পাওয়ারের শক্তি অর্জন করতে পারে।

কাস্ট আয়রনে তৈরি বডির এই গাড়ীর ওজন ৩৩০০ পাউন্ড। এই গাড়ীর দাম ৬০ হাজার ডলার।

(৭). বিএমডব্লউ এম৫ (BMW M5)

বিএমডব্লউ এম৫ ; source: caranddriver.com

বিএমডব্লিউয়ের একেকটি গাড়ি রাস্তায় শুধু ঢেউ তোলে না বরং ঝড় তোলে।

আজ পর্যন্ত বিএমডব্লিউ যতগুলো গাড়ী তৈরি করেছে তার মধ্যে তৃতীয় প্রজন্মের ই৩৯ বিএমডব্লউ এম ৫ কে সবচেয়ে নিঁখুত বলে মনে করা হয়।

৪০০০ পাউন্ডের এই সেডান গাড়ী যখন রাস্তায় চলে তখন সেটি স্পোর্টস সেডানে পরিণত হয়। এই গাড়ীতে পাঁচজন আরামে বসার জন্য যেমন পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে তেমনি স্পোর্টস গাড়ীর মতো মাত্র ৪.৮ সেকেন্ডে শূণ্য থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত গতি তুলতে পারে এবং ই৩৬ এম৩ বিএমডব্লই গাড়ীর চেয়ে দ্রুত চলে।

গাড়ীর সাথে পরিবর্তনযোগ্য অতিরিক্ত একটি লিটার এবং প্রতি মিনিটে ২০০০ বার চাকার ঘূর্ণন ক্ষমতা যুক্ত করার জন্য বিএমডব্লিউকে ধন্যবাদ দিতে হয়।

এই গাড়ী ৪.৯ লিটার ভি-৮ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ৩৯৪ হর্স পাওয়ার শক্তি অর্জন করতে পারে এবং এই গাড়ী যে শব্দ তৈরি করে সেটি আমেরিকার অন্য কোনো গাড়ী কল্পনাও করতে পারে না।

এই গাড়ীকে বলা হতো গরীবের এম ৫ কারণ এটির দাম তুলনামূলক কম।

(৮) অডি আরএস২ আভান্ত (Audi RS2 Avant)

অডি আরএস২ আভান্ত ; source: crankandpiston.com

এক সময় যখন অডির কোনো স্পোর্টস বিভাগ ছিল না বলে তখন পৃথিবী ছিল একটি বিরস স্থান।

ভাগ্যক্রমে সহোদরপ্রতিম কোম্পানি তখন একটি ফোন কল পরিমাণ দূরত্বে ছিল। কিছুদিন পরে দুইটি কোম্পানি একত্রে কাজ শুরু করে এবং তাদের কিছু সৃষ্টি স্পটলাইটে আসে।

তাদের অসাধারণ এক সৃষ্টি আরএস২ আভান্ত। অডি ৮০টি আভান্ত গাড়ী নিয়ে বি৪ প্লাটফর্মে আধুনিকায়ন করে এবং হুডের নিচে একত্রে পাঁচটি সিলিন্ডার লাগায়।

২.২ লিটারের এক দৈত্যাকার টার্বোচার্জার ইঞ্জিন চার চাকায় ৩১২ হর্স পাওয়ার শক্তি প্রদান করে অডির কোয়াট্রো অল হুইল ড্রাইভ সিস্টেমের মাধ্যমে।

এই গাড়ী মাত্র ৪.৮ সেকেন্ডে ঘন্টায় শূণ্য থেকে ষাট কিলোমিটার গতি অর্জন করতে পারে কিন্তু এই গাড়ী এই পরিমাণ গতি ম্যাকলারেন এফ১ গাড়ীর চেয়ে অর্ধেক সংখ্যক চাকা ঘুরে।

(৯) ম্যাকলারেন এফ১ (McLaren F1)

ম্যাকলারেন এফ১ ; source: autoweek.com

পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা ও গতিশীল গাড়ী তৈরি করে বিশ্বকে দেখাতে ম্যাকলারেন কোম্পানি পছন্দ করে।

নব্বইয়ের দশকে ম্যাকলারেন ৬.১ লিটারের বিএমডব্লই ভি-১২ ইঞ্জিন তৈরি করে ১০৬ টি আধুনিক জিনিসের সাথে পরিচয় করে দিয়ে তারা বুঝিয়েছিল এই গাড়ী শুধুমাত্র এই পৃথিবীর জন্য নয়।

অনেকে এই গাড়ীর কোম্পানির নাম জানেন না কিন্তু তারা গাড়ী চালানোর সময় বুঝতে পারে এটি কেমন এবং কি ধরণের গাড়ী।

ম্যাকলারেন একবার সাত বছরের জন্য একটি বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করেছিল যখন এফ১ প্রতি ঘন্টায় ২৪০ মাইল বেগে ছুটেছিল।

২৫০০ পাউন্ডের এই গাড়ী মাত্র ৩.৪ সেকেন্ডে প্রতি ঘন্টায় শূণ্য থেকে ষাট কিলোমিটার গতি তুলতে পারে। ৬২৭ হর্স পাওয়ারের ভি-১২ ইঞ্জিনের এই গাড়ী মাত্র ১১.৬ সেকেন্ড সময়ে এক কিলোমিটারের চারভাগের এক ভাগ পাড়ি দিতে পারে।

অবশ্যই যে কেউ এই গাড়ীর মালিক হতে পারে না। যদি আপনি এলন মাস্ক (যিনি ইন্সুরেন্স ছাড়াই দুর্ঘটনা কবলিত হয়েছিলেন) অথবা জে লেনো হয়ে থাকেন তাহলে আট লাখ ডলারের এই গাড়ী আপনার জন্যই।

কিন্তু গত বছরের পেবল বিচে সোথবি’স নিলামে আপনার কাছে ১৩.৭৫ মিলিয়ন ডলার না থাকতো তাহলে আপনি কিনতে পারতেন না।

(১০) ফেরারি এফ৪০ (Ferrari F40)

ফেরারি এফ৪০; source: autotrader.ca

কেউ কেউ ফেরারির এফ৪০ গাড়ীকে অন্ধভাবে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভালোবাসতেন।

দূর্দান্ত ভঙ্গিমা, আক্রমণাত্মক বডি লাইনের এই গাড়ী দর্শন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন হয়ে আছে যারা নব্বইয়ের দশকে এই গাড়ী দেখেছেন।

ফেরারি এফ৪০ গাড়ীতে ব্যবহার করা হয়েছে ২.৯ লিটারের ভি-৮ ইঞ্জিন। ৪৭১ হর্স পাওয়ারের এবং ১.৫ ওজনের এই দৈত্যাকার গাড়ী প্রতি ঘন্টায় শূণ্য থেকে ষাট কিলোমিটার গতি তুলতে পারে মাত্র ৪.২ সেকেন্ডে।

ফেরারির কোনো গাড়ীর ইন্টেরিয়র ডিজাইন কখনোই সাধারণ মানের হয়না। ১৯৯২ সালে এই গাড়ীর উৎপাদন বন্ধ করার পূর্বে মোট ১৩১১টি ফেরারি এফ৪০ গাড়ী নির্মাণ করে ইতালিয়াল ফেরারি কোম্পানি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
শিরোনাম :
কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা