নবজাতকের মাসিপিসি হলে যা করবেন

ঢাকা, বুধবার   ১৯ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৬ ১৪২৬,   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

নবজাতকের মাসিপিসি হলে যা করবেন

 প্রকাশিত: ০৭:৫৭ ২১ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ০৭:৫৭ ২১ জুলাই ২০১৮

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নবজাতকের জন্মের প্রথম সপ্তাহে সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে সারা শরীরে যে লাল লাল দানা দেখা যায়, তাকে গ্রামবাংলায় মাসি-পিসি বলা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর নাম ইরাইথেমা টক্সিকাম নিওনেটোরাম। মুখ, হাত, পা—এমনকি সারা দেহেই হতে পারে এটি। ১০ দিনের মধ্যে এগুলো এমনিতেই সেরে যায়। এর জন্য কোনো চিকিৎসা লাগে না।

সাধারণত গুমোট পরিবেশে, সিনথেটিক কাপড়চোপড়, ময়লা কাপড়, ন্যাকড়া অথবা শিশুর ব্যবহৃত কোনো জিনিসের সংস্পর্শে এটি হতে পারে। এর সঙ্গে জ্বর বা অসুস্থতার অন্য কোনো উপসর্গ থাকে না বলে ওষুধপত্রের কোনো দরকার নেই। পাঁচ/ছয় দিনের মধ্যে এটি এমনিতেই চলে যায়। এ জন্য চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ইরাইথিমা টক্সিকাম নিউনেটারাম বলে। তবে এ সময়ে শিশুর গায়ে তেল মাখা যাবে না। শিশুর কাপড়চোপড় কেচে পরিষ্কার রাখতে হবে। কাপড় ধোয়ার পানিতে কোনো অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন, যেমন—ডেটল, সেপনিল ইত্যাদি দেয়া যাবে না।

এ ধরনের সমস্যায় অনেকে প্রসূতি মাকে মাছ, ডিম, মাংস ইত্যাদি খেতে দেন না। তাঁদের ধারণা, মা এসব খাবার খাওয়ার পর বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর কারণেই বাচ্চার মাসিপিসি হয়েছে। এ কথাটি আসলে ঠিক নয়। প্রসূতি মা মাছ, মাংস, ডিমসহ সব খাবারই খাবে এবং বাচ্চাকেও দুধ পান করাবে। তবে মাসিপিসির সঙ্গে জ্বর থাকলে এবং র‍্যাশগুলোর মধ্যে পানি বা পুঁজ জমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ