.ঢাকা, সোমবার   ২৫ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ১০ ১৪২৫,   ১৮ রজব ১৪৪০

নতুন পরিকল্পনায় ‘এনরিচ্’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ০০:০৭ ১১ মার্চ ২০১৮   আপডেট: ০০:১৪ ১১ মার্চ ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

২০১৫ সালের ৫ই জানুয়ারি ক্ষুদ্র পরিসরে যাত্রা শুরু করেছে ‘এনরিচ্ অ্যাসোসিয়েশন’। হাটি হাটি পা পা করে তিনটি বছর পার করলো এই প্রতিষ্ঠানটি। শুক্রবার ‘এনরিচ্ অ্যাসোসিয়েশন’ নামক এ কোম্পানির ৪র্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে বর্ষপূর্তি ও বার্ষিক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সেখানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন তামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব লোকমান শেখ। তিনি বলেন, তরুণরাই বিশ্ব জয় করে। তারা অত্মবিশ্বাসী ও উদ্যোমী হয়। আমি দেখেছি, তোমাদের ভিতরে সেটা আছে। তিন বছরে তোমরা যা অর্জন করেছো, এর মধ্য দিয়ে বুঝিয়ে দিলে তোমরাই পারবে!

সে সঙ্গে সঙ্গবদ্ধ হয়ে তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগান তিনি। এরপর বক্তব্য শেষ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে শেষে আলাউদ্দিন তামিম বলেন, মানুষ বড় হবার স্বপ্ন দেখে। আমিও দেখেছি। একদিন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাবো। এর জন্য দরকার কঠিন শ্রম। তবে যত বাঁধা আসুক না কেন, যৌথভাবে এগিয়ে যেতে আমরা প্রস্তুত। এই প্রত্যয় নিয়ে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরো বলেন, বসুন্ধরা, যমুনা গ্রুপের মত বড় বড় কোম্পানি গুলো একদিনে এই জায়গায় আসেনি। শ্রম, মেধা ও ধৈর্য নিয়ে কাজ করে তারা এই পর্যায়ে এসেছে।

তামিম আশা ব্যক্ত করে আরো বলেন, ২০১৮ সালের মধ্যে একটি রেস্টুরেন্ট এবং ল্যন্ড প্রকল্প হাতে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতি ও প্রধান অতিথি ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন এনরিচ্ অ্যাসোসিয়েশন এর পরিচালনা পরিষদ, শেয়ার হোল্ডার, কোম্পানির সদস্য এবং আমন্ত্রণে আসা অতিথিবৃন্দ।

সেখানে, তিন বছর শেষে ‘এনরিচ্ অ্যাসোসিয়েশন’-এর একটি শোরুম ও একটি মেলামাইন ফ্যাক্টরী সহ বিভিন্ন অর্জন সমূহও তুলে ধরা হয়।

এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে এমডি আলমগীর হোসাইন বলেন, ‘এনরিচ্’ কে বাংলাদেশের একটি ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের প্রধান লক্ষ। বড় বড় গ্রুপগুলোর মতো এটিও একদিন পরিচিত হয়ে উঠবে। ইনশা আল্লাহ। তার জন্য যতটা মেধা, শ্রম ও ধৈর্য দেয়া দরকার তা আমরা দিতে প্রস্তুত। সবার কাছে দোয়া এবং সহযোগীতা কামনা করছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআই