নজরদারিতে রোহিঙ্গারা

ঢাকা, রোববার   ১৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৩ ১৪২৬,   ১২ শাওয়াল ১৪৪০

নজরদারিতে রোহিঙ্গারা

কক্সবাজার প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৮:২২ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:২৫ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

কোন গোষ্ঠী যেন নির্বাচনের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে তুলতে না পারে সে লক্ষ্যে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১১ লাখ রোহিঙ্গার ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তফসিল ঘোষণার পর থেকেই কক্সবাজারের চারটি আসনে তৈরি হয় ভোটের আমেজ। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই নির্বাচনী প্রচারে মুখর হয়ে ওঠে পুরো জেলা। তবে কক্সবাজারে এবার নির্বাচনে আশঙ্কার নাম রোহিঙ্গা। কক্সবাজার-৪ আসনেই রোহিঙ্গাদের অবস্থান। এ কারণে শঙ্কায় এ আসনের প্রার্থী-ভোটাররা।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, নির্বাচনে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলে নৌকায় ভোট বিপ্লব হবে। কিন্তু জামায়াত-বিএনপির প্রার্থীরা রোহিঙ্গাদের নিয়ে সহিংসতার পরিকল্পনা করছে।

কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, কেউ যদি অর্থের বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের নির্বাচনী মিছিল, মিটিং ও সমাবেশে নিয়ে যায়। সেখানে যদি কোন সহিংস ঘটনা ঘটে। শঙ্কাটা ওখানেই। তাই প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং কিছু এনজিও সংস্থার উপরও নজরদারি রাখতে হবে।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশের এলাকায় পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল খায়ের বলেন, উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশাপাশি রোহিঙ্গা শিবিরের পুলিশ ফাঁড়িগুলোতেও কড়া নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। যেসব ক্যাম্পকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়েছে সেখানে বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারিও রাখা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর