Alexa ধানের চেয়ে পাটে মনোযোগ

ঢাকা, সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৮ ১৪২৬,   ২৩ মুহররম ১৪৪১

Akash

ধানের চেয়ে পাটে মনোযোগ

তরিকুল ইসলাম জেন্টু, নওগাঁ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২২ ২৪ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ২১:১৮ ২৪ আগস্ট ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নওগাঁর রাণীনগরের আটটি ইউপির বেশ কিছু এলাকায় ধান চাষে আশানুরূপ ফলন পাননি কৃষকরা। তাই ধান চাষের পরিমাণ কমিয়ে পাট চাষে বেশি মনোযোগী হচ্ছেন। এরইমধ্যে পাট চাষে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য ও লাভের দেখা পেয়েছেন তারা।

উপজেলার গোনা ইউপির মালঞ্চি গ্রামের পাট চাষি মো. আব্দুর রশিদ জানান, জমিতে বোরো ধানের চাষ করতেন। কিন্তু ধানের জমি কিছুটা কমিয়ে পাট চাষের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। তাই এ বছর দুই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেন। গত কয়েকদিন আগে পাট কেটে পচানোর জন্য সারিবদ্ধভাবে পানিতে ডুবিয়ে রাখেন তিনি। নিচের অংশ পচে যাওয়ার ভাব দেখে কয়েকদিন পর উল্টিয়ে মাটি ও কলা গাছ দিয়ে আবার ডুবিয়ে রাখেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় মেস্তা পাট, দেশি পাট ও তোষা জাতের পাট প্রায় ৭০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। বিগত বছরে পাটের ভাল ফলন হয়েছে। এছাড়া দাম আশানুরূপ পাওয়ায় চাষিরা পাট চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

তিনি বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১৫ মণ পর্যন্ত পাট উৎপাদন হয়। তবে চাষিরা কৃষি অফিসের পরামর্শে পাট জাগ দিচ্ছেন না। তারা সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দেয়ায় পাটের রং কালো ও গুণগত মান কমে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, খোলা সড়কে ধুলা-বালুর উপর পাট শুকানোর কারণে মান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এরইমধ্যে হাটে পাট বিক্রির জন্য কৃষকরা নিয়ে আসতে শুরু করেছেন। মান অনুযায়ী প্রতি মণ কাচা পাট এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত স্থানীয় বাজারে কেনাবেচা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিগত বছরগুলোতে পাটের বাজার কম থাকায় ফসলের প্রতি চাষিদের আগ্রহ কমেছিল। তবে সরকার খাদ্যদ্রব্যসহ বিভিন্ন পণ্যে পরিবেশ বান্ধব পাটের মোড়কের ব্যবহার করায় বাজার দর বেড়েছে। এতে প্রান্তিক পর্যায়ে চাষিদের পাট চাষে আগ্রহ বেড়েছে। কিন্তু কৃষকরা রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট জাগ দিতে নারাজ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ