ধর্ষণ সম্পর্কে যা বলে তোপের মুখে দুতার্তে

ঢাকা, শুক্রবার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১০ ১৪২৭,   ০৭ সফর ১৪৪২

ধর্ষণ সম্পর্কে যা বলে তোপের মুখে দুতার্তে

 প্রকাশিত: ১৮:১১ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:৩৫ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

প্রায়ই বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন তিনি। এবারো তেমনই এক মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে। 

বৃহস্পতিবার এক জনসভায় নারী বিদ্বেষী মন্তব্য করে সমালোচিত হন তিনি। ফিলিপাইনের দাভাও-তে পুলিশের এক ধর্ষণ বিষয়ক প্রতিবেদন নিয়ে দুতার্তে বলেন, পুলিশ জানিয়েছে দাভাও-তে ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে। কিন্তু যতদিন সুন্দরী নারী বেশি থাকবে, ততদিন পযর্ন্ত অব্যাহত থাকবে ধর্ষণ।
  
এর পক্ষে তিনি অকাট্য যুক্তি দাঁড় করিয়ে বলেন, কেউ সম্পর্ক প্রথম অনুরোধেই করেন না। নারীরা তো অবশ্যই নয়।প্রথম আবেদনে কেউ যদি সাড়া না দেয়, তাহলে ধর্ষণ করতে হয়।

প্রেসিডেন্টের এ ধরনের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে দেশটির একাধিক নারী সংগঠন বলছে, প্রেসিডেন্টের এমন অশ্লীল কথায় আমল না দেয়াই ভালো। ধর্ষণ নিয়ে এ ধরনের রসিকতার নিন্দাও করেন তারা।

এর আগে ২০১৬ সালে ফিলিপাইনের দায়িত্ব নেয়ার পর সেনাদের নির্দেশ দেন, তিন নারীকে ধর্ষণ করলে শাস্তি যোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। তখন নারীদের গোপনাঙ্গে গুলি করারও নির্দেশ দেন তিনি। 

দাভাও জেলে ১৯৮৯ সালে জ্যাকলিন হ্যামিল নামে এক অস্ট্রেলিয় নারীকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়।  দাভাও-র ওই সময়ের মেয়র ছিলেন রদ্রিগো দুতার্তে। এই বিষয়ে তার মন্তব্য ছিল, ওই নারী ধর্ষিত হয়েছেন, সে বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছি আমি। তবে, তিনি সুন্দরী ছিলেন। প্রথম প্রাপ্য ছিল মেয়রের। বড় ক্ষতি হয়ে গেল।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এসআই