Alexa ধর্ষণে বাধা দেয়ায় মামা খুন, গণপিটুনিতে প্রাণ গেল ধর্ষকের

ঢাকা, শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

ধর্ষণে বাধা দেয়ায় মামা খুন, গণপিটুনিতে প্রাণ গেল ধর্ষকের

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৫৬ ২৪ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১৮:৫৬ ২৪ আগস্ট ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণে বাধা দেয়ায় ছুরিকাঘাতে হাসান আলী নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে অভিযুক্ত আকবর আলীও নিহত হন।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্কুলছাত্রীসহ দুইজন। শনিবার ভোরে সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসান আলী আমিরপুর গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে। গণপিটুনিতে নিহত আকবর আলী দামুড়হুদা উপজেলার পারকৃষ্ণপুর মদনা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সবজির ব্যবসা করে করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামের পঙ্গু হামিদুল ইসলামের বাড়িতে শনিবার ভোরে আকবর আলী নামে এক ব্যক্তি প্রবেশ করে। এরপর স্কুলপড়ুয়া ওই কিশোরীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে আকবর আলীর ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন গৃহকর্তার ছেলে হাসান আলী। গুরুতর আহত হয় ওই স্কুলছাত্রীসহ তার পঙ্গু নানা হামিদুল ইসলাম।

এদিকে গ্রামবাসী টের পেয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলে হামলাকারী আকবর আলীকে আটক করে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত এসপি কানাই লাল সরকার, মো. কলিমুল্লাহসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা গুরুতর আহত গৃহকর্তা হামিদুল ইসলাম ও ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সকাল ৮টার দিকে নিহত হাসান ও গণপিটুনিতে নিহত আকবর আলীর মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক আবু এহসান মো. ওয়াহেদ রাজু জানান, উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতের কারণে হামিদুল ইসলামের শরীরে অসংখ্য ক্ষত হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহীতে রেফার্ড করা হয়েছে। আহত স্কুলছাত্রীকেও প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় মোমিনপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার বলেন, ধর্ষণচেষ্টাকারী আকবর আলী বেশ কিছুদিন ধরে ওই গ্রামে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। ভ্যানে করে গ্রামে সবজি বিক্রির ব্যবসা করলেও তার স্বভাব চরিত্র খারাপ ছিল। এর আগেও তিনি গ্রামে এক নারীকে ধর্ষণের সময় তাকে হাতেনাতে আটক হয়েছিল।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের জন্যই মূলত ওই বাড়িতে হানা দেয় আকবর আলী।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম