Alexa ধরা পড়ে বিয়ে করতে রাজি হলেন ধর্ষক

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৬ ১৪২৬,   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

ধরা পড়ে বিয়ে করতে রাজি হলেন ধর্ষক

রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১৩ ২৯ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৮:১৫ ২৯ অক্টোবর ২০১৯

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

কক্ষ ঝাড়ু দেয়ার কথা বলে কৌশলে ডেকে নিয়ে রান্না ঘরে আটকে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করলেন মহিলা মাদরাসা কমপ্লেক্সের এক ম্যানেজার।

সোমবার দুপুরে ন্যাক্কারজনক এই ঘটনাটি ঘটান মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট মুহসিনিয়া হাফেজিয়া মহিলা মাদরাসা কমপ্লেক্সের ম্যানেজার মো. শাহাদাত হোসেন।  

এ ঘটনায় ধরা পরার পর ধর্ষক বলেন, ওই মাদরাসা ছাত্রীকে আমি বিয়ে করতে রাজি আছি।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ইউএনও সোহানা নাসরিন ও  রাজৈর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার কনা ওই মাদরাসাছাত্রীকে উদ্ধার করেন। এ সময় কৌশলে পালিয়ে যাবার সময় ধর্ষক শাহাদাতকে রাজৈর থানার এসআই কাওছার ধাওয়া করে পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় বাসস্ট্যান্ড থেকে আটক করেন।  

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ওই ছাত্রীকে বিয়ে করতে রাজি আছি। 

ধর্ষক শাহাদাত ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার সিংগারিয়া মুনসারাবাদ গ্রামের আজিজুল হক মুন্সীর ছেলে। 

এ ঘটনায় রাজৈর মহিলা বিষয়ক প্রশিক্ষক মোমেনা আক্তার বাদী হয়ে  শাহাদাতকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছেন। ওই ছাত্রীকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বলেন, শাহাদাত স্যার মাদরাসার কক্ষ ঝাড়ু দেয়ার নাম করে আমাকেসহ দুই ছাত্রীকে ডেকে আনে। পরে আমার সহপাঠীকে অন্যত্র পাঠিয়ে দিয়ে আমাকে রান্না ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় আমি চিৎকার দেয়ার চেষ্টা করলে মুখ চেপে ধরে আমার সঙ্গে খারাপ কাজ করে । 

ওই ছাত্রীর মা বলেন, আমার মেয়েকে যে নষ্ট করেছে তার উপযুক্ত বিচার চাই। 

ইউএনও সোহানা নাসরিন ও ওসি মো. শাজাহান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ব্যাপারে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ