দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিনেই যে তথ্য দিলো সাবরিনা

ঢাকা, সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৭,   ১০ সফর ১৪৪২

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিনেই যে তথ্য দিলো সাবরিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:০৫ ১৮ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৮:৪২ ১৮ জুলাই ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা নিয়ে জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রতারণার কাজে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর ফেস ভ্যালু-ই প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। 

দ্বিতীয় দফার রিমান্ডের প্রথম দিনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

ডিবি কর্মকর্তারা বলছেন, জেকেজির জালিয়াতির প্রধান অস্ত্র ছিল সাবরিনা। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তার ফেস ভ্যালু ব্যবহার করে জালিয়াতি ও নানা ধরনের কাজ বাগিয়ে নিয়েছে। তবে তার এই কাজ একা একা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মকর্তার সহযোগিতার প্রয়োজন হয়েছে। মামলার তদন্তের প্রয়োজনে আমরা একে একে সবাইকে ডাকবো।

করোনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে গ্রেফতার হওয়া জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীর প্রতারণার নেপথ্যে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা। তাদের এক ল্যাপটপেই পাওয়া গেছে ১৫ হাজারেরও বেশি করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট।

এর আগে ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির জন্য ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানতে পারে, জেকেজি হেলথ কেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। উদ্ধার করা ল্যাপটপে এর প্রমাণ মিলেছে। আরিফ চৌধুরী জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, জেকেজির ৭ থেকে ৮ কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করেন।

প্রসঙ্গত, বুধবার জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরীকে দ্বিতীয় দফায় আরো চারদিনের রিমান্ডে আনা হয়। এর আগে গত সোমবার ডা. সাবরিনাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল ডিবি পুলিশ। ডা. সাবরিনার বৃহস্পতিবার রিমান্ড শেষ হয়। শুক্রবার তাকে আবারো দ্বিতীয় দফায় দুই রিমান্ডে নেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই