.ঢাকা, শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৯ ১৪২৫,   ১৬ রজব ১৪৪০

দেড় কিলোমিটার সড়কে পাঁচ গ্রামের ভোগান্তি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৭:৪৬ ১০ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ১৭:৪৬ ১০ আগস্ট ২০১৮

টাকবাজার-কাপড়কাঠি গ্রামের আড়াই কিলোমিটার সড়ক

টাকবাজার-কাপড়কাঠি গ্রামের আড়াই কিলোমিটার সড়ক

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার টাকবাজার-কাপড়কাঠি গ্রামের আড়াই কিলোমিটার সড়ক রয়েছে।পাঁচ বছর আগে এক কিলোমিটার পাকা হলেও বাকি দেড় কিলোমিটার এখনো পাকা হয়নি।

এ দেড় কিলোমিটার সড়কের অধিকাংশ স্থান বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানিতে ডুবে যায়।এই সড়কে যাতায়াত করে পাঁচ গ্রামের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীসহ প্রায় সাত হাজার বাসিন্দা।এছাড়াও কাপড়কাঠি, সৈয়র ও মাদারঘোনা গ্রামের বাসিন্দারা এ সড়কে যাতায়াত করে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমে সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। কোমড় সমান পানির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করতে দেখা যায় স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

কুলকাঠি গ্রামের নূরুল আলম বলেন, বর্ষা মৌসুমে শরীর ও জামা কাপড় শুকনো রেখে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা যায় না। এলইজিইডি এ সড়কটি প্রায় পাঁচ বছর আগে পাকা করার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। কিন্তু ঠিকাদার সময়মতো সব কাজ না করায় দরপত্র বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। সেই থেকে এভাবেই পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি।

কাপড়কাঠি গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মোশারেফ হোসেন বলেন,রাস্তার অবস্থা আর কি কমু। পোলাপান নৌকা পাইলে স্কুল-কলেজে যায়, না পাইলে যায় না। কাদা ও পানির মধ্য দিয়া যাতায়াত করতে হয়। বৃষ্টি ও জোয়ারে পানি উঠে রাস্তা ডুইব্যা যায়। কত রাস্তা-ঘাট করছে সরকার, আমাগো রাস্তা কবে হইবে।

সৈয়র গ্রামের কলেজ ছাত্রী মারুফা আক্তার বলেন,এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কলেজে যেতে হয়। স্থানীয় তালতলা বাজারে যেতেও সড়কটির বিকল্প নেই। সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে নৌকায় করে পার হতে হয়।

কুলকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান এইচএম আখতারুজ্জামান বাচ্চু বলেন,সড়কটি নির্মাণের জন্য ইউএনও, ডিসি বরাবর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

ঝালকাঠি ডিসি মো. হামিদুল হক বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থা আমাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম