কুয়াকাটা সৈকতে অবৈধ স্থাপনা

.ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৫ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১২ ১৪২৬,   ১৯ শা'বান ১৪৪০

কুয়াকাটা সৈকতে অবৈধ স্থাপনা

 প্রকাশিত: ১৭:২৯ ৮ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:২৯ ৮ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পর্যটন নগরী কুয়াকাটার সৈকতে ডিসি ও আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধ স্থাপনা তোলার হিড়িক পড়েছে। যার ফলে সৈকতে পর্যটকদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।

সৈকতের গা ঘেঁষেই সরদার মার্কেট ও সানরাইজ মার্কেটের নামে এসব অবৈধ স্থাপনা তোলা হচ্ছে। এর কারণে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। 

জেলা পরিষদ ডাক বাংলোর সামনে এবং সৈকতের জিরো পয়েন্টে এসব ঘর তুলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দেয়া হচ্ছে। ভাড়া আদায় নিয়ে সান রাইজ কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডা ঘটে।

সৈকতের পাশে সরদার মার্কেট কর্তৃপক্ষ টিনসেড ভেঙে গড়েছেন ঝুঁকিপূর্ণ দোতলা একটি স্থাপনা। যেখানে থাকছে রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক হোটেল। এছাড়া কোনো বাধা ছাড়াই একাধিক কাঠের নতুন ঘর তুলেছে সানরাইজ কর্তৃপক্ষ।

সরদার মার্কেটের মালিক সাজেদুল আলম জানান, তারা অবৈধভাবে ঘর তুলছেন না। তাদের জমিতে ঘর নির্মাণ করতে পারবেন। আদালতের এমন নির্দেশনা মেনেই তারা ঘর তুলছেন।

মার্কেটের সভাপতি মো. মাসুদ জানান, টিনের নড়বড়ে ঘর তুলে তাদের কাছে ভাড়া দেয়া হচ্ছে। এ ঘর খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। মালিককে বলার পরও কর্ণপাত করছেন না তারা।

কলাপাড়া ইউএনও মো. তানভীর রহমান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। অবৈধভাবে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

অবৈধ স্থাপনা তোলা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরিবেশবাদী সংগঠন উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দাখিল করার পর বিজ্ঞ আদালত সন্তুষ্ট হয়ে পটুয়াখালী ডিসি, ইউএনও, এসিল্যান্ড কলাপাড়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের রিট পিটিশনটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কুয়াকাটায় পাউবোর বেড়ি বাঁধের বাইরে লেম্বুর চর থেকে কাউয়ার চর পর্যন্ত সব ধরনের স্থাপনা তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর