দুর্নীতি মামলায় আব্বাস দম্পতির জামিন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৭ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১৩ ১৪২৬,   ২২ শাওয়াল ১৪৪০

দুর্নীতি মামলায় আব্বাস দম্পতির জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৩:০৬ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৩:০৬ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দুর্নীতি মামলায় মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রীকে ৮ সপ্তাহের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত ৬ জানুয়ারি বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বসের নামে শাহজানপুর থানায় এ মামলা করেন দুর্নীতি সমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার সকালে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই দম্পতির উপস্থিতিতে জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলায় অভিযোগ আনা হয়, আফরোজা আব্বাস একজন গৃহিণী। কিন্তু তার স্বামী মির্জা আব্বাসের বিভিন্ন খাতের টাকা স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আফরোজা আব্বাস নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করলেও তার নিজের আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই।

দুদকের মামলায় আরো বলা হয়, আফরোজা আব্বাসের সম্পদ বিবরণী যাচাইয়ের সময় দেখা যায়, ঢাকা ব্যাংকে তার ৮ কোটি ৭০ লাখ ৭০৬ টাকার শেয়ার, ঢাকা টেলিফোন কোম্পানিতে ১০ কোটি টাকার শেয়ার, এফডিআর ও বিনিয়োগ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা। এই টাকাসহ তিনি দুদকে ২০ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন।

এই টাকার বিষয়ে দুদক আফরোজা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলুর কাছ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ ও বাবা মা এবং বোনের কাছ থেকে এক কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দান হিসেবে নিয়েছেন। তবে তিনি এর স্বপক্ষে কোন রেকর্ডপত্র দেখাতে পারেননি বলে মামলায় বলা হয়।

এতে আরো বলা হয়, মূলত ১৯৯১ সালের আগে মির্জা আব্বাসের উল্লেখযোগ্য কোনো আয় ছিল না। তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও পরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে অর্থ অর্জন করেন। পরে স্বামীর যোগসাজসে আফরোজা আব্বাস ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ অবৈধ পন্থায় অর্জন করেন। যা ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা ও ২০০২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৩ ধারায় শাস্তযোগ্য অপরাধ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে