.ঢাকা, শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৬ রজব ১৪৪০

দুই মন্ত্রীকে আইসিটি সংগঠনগুলোর সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ২০:৪৫ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২০:৫৭ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

একাদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারের মন্ত্রিসভার দুই সদস্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে সংবর্ধনা দিয়েছে আইসিটি সংগঠনগুলো।

এ লক্ষ্যে সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফা জব্বার। আর বিশেষ অতিথি ছিলেন জুনাইদ আহমেদ পলক।

আইসিটিখাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসপ্যাব), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) যৌথ উদ্যোগে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয়, আঞ্চলিক ও শাখা কমিটির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের শুরুতে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে অতিথিদের প্রতি সম্মাননা জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, গত ১০ বছরে দেশের যে পরিবর্তন হয়েছে, তা বিশ্বের কাছে অনুকরণীয়। আগামীতে আইসিটি খাতে বিশ্বকে আমরাই নেতৃত্ব দেব। আমরা এখন কাজ করছি, যেন দেশের মানুষ সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট পায়।

তিনি আরো বলেন, আইসিটি খাতের এই ৫টি ট্রেড বডি সাধারণ মানুষদের থেকে এক পা হলেও এগিয়ে থাকে। এজন্যই আমরা অসামান্য কিছু অর্জন করতে পেরেছি। 

এদিকে, আইসিটি খাতে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, আইসিটি শিক্ষাকে প্রাথমিক স্তরে বাধ্যতামূলক করার জন্য আমরা কাজ করছি। আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫ হাজার ৫শ’টি শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে। এসব ল্যাবের প্রতিটিতে ২১টি করে ল্যাপটপ দেয়া হবে যেগুলোর গায়ে লেখা থাকবে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’।

তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে দেশের সব এলাকা ব্রডব্যান্ড’র আওতায় আনা হবে। ইন্টারনেট ফর অল প্রকল্পের মাধ্যমে সবার কাছে ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়া হবে। এছাড়াও প্রায় ১ হাজার ৬শ’টি সরকারি সেবা ডিজিটালাইজ করা হবে। যাতে কর্মসংস্থান হবে প্রায় ২০ লাখ তরুণের।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, বিসিএস সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার, ইসপ্যব’র সভাপতি এম এ হাকিম, বাক্যের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরিফ এবং ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস/এসআইএস