মাইক্রোসফট রিসার্চ ডেসার্টেশন গ্রান্ট পেলেন দুই বাংলাদেশি গবেষক
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=192901 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ১২ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

মাইক্রোসফট রিসার্চ ডেসার্টেশন গ্রান্ট পেলেন দুই বাংলাদেশি গবেষক

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:০৫ ৯ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৫:১২ ৯ জুলাই ২০২০

আনা ফারিহা ও ফারাহ দীবাবা। ছবি: সংগৃহীত

আনা ফারিহা ও ফারাহ দীবাবা। ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরে ‘মাইক্রোসফট রিসার্চ ডেসার্টেশন গ্রান্ট’ পুরস্কার লাভ করেছেন দুজন বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক। মাইক্রোসফট প্রতিবছর উত্তর আমেরিকায় কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডিরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সমাজের সব অংশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে। তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করার জন্য উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২৩০ শিক্ষার্থী এ বছর আবেদন করেন।

আবেদন করা শিক্ষার্থীদের গবেষণার পরিকল্পনার বৈজ্ঞানিক ও পদ্ধতিগত সম্ভাব্যতা এবং সমাজের পরিবর্তনে প্রকল্পের সম্ভাব্য প্রভাব যাচাইবাছাই করে আবেদনকৃত গবেষণা প্রকল্পগুলো থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীকে তাদের গবেষণা প্রকল্পের জন্য ২৫ হাজার ডলারের এই পুরস্কারের জন্য বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

মাইক্রোসফট রিসার্চ ব্লগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সম্মানজনক এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হন দুজন বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক—আনা ফারিহা ও ফারাহ দীবা। আনা ফারিহার গবেষণা প্রকল্প ‘এনহ্যান্সিং ইউজাবিলিটি অ্যান্ড এক্সপ্লেনাবিলিটি অব ডেটা সিস্টেমস’-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দক্ষ এবং অদক্ষ ব্যবহারকারীদের মধ্যে কম্পিউটার ডেটা সিস্টেম ব্যবহারের ফারাক কমিয়ে আনা।

আনা ফারিহা বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস, অ্যামার্স্টে কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি গবেষণারত। ফারাহ দীবার ‘প্লাসেন্টা: টুওয়ার্ডস অ্যান অবজেকটিভ প্রেগন্যান্সি স্ক্রিনিং সিস্টেম’ গবেষণা প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন সাধন করা। এই লক্ষ্যে তিনি কোয়ান্টিটিভ আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে একটি স্ক্রিনিং পদ্ধতি চালু করার প্রস্তাব করেন, যা গর্ভাবস্থায় প্রাথমিকভাবে প্ল্যাসেন্টায় কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা চিহ্নিত করে এই ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ করে দেবে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় বর্তমানে পিএইচডি গবেষণারত।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে/এসআর/আরআর