দুই ঘুমন্ত উপগ্রহের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের আশঙ্কা, অতঃপর...

ঢাকা, শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২০ ১৪২৬,   ০৯ শা'বান ১৪৪১

Akash

দুই ঘুমন্ত উপগ্রহের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের আশঙ্কা, অতঃপর...

বিজ্ঞান ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২২ ৩০ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

এতক্ষণে হয়তো মহাকাশের কোনো অঘটনের খবর শুনতে পেতেন। কিন্তু রক্ষা পেল দু’টি ঘুমন্ত উপগ্রহ। বলা চলে বিপদটা একেবারে কানের পাশ দিয়েই গেল। নাসা জানিয়েছে, ‘আইরাস’ ও ‘জিজিএসই-৪’ নামের দু’টি স্যাটেলাইট মাত্র ২৫ মিটার দূরত্ব দিয়ে একে অপরকে অতিক্রম করলো। সংঘর্ষের প্রবল সম্ভাবনা ছিল। তা যদি ঘটতো তার ফল সুদূরপ্রসারি হত বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টা ৯ মিনিটে মহাকাশে ভয়ংকর এক সংঘর্ষে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। মহাকাশের বর্জ্যের উপর নিয়মিত নজরদারি চালায় স্পেস ডেব্রি ট্র্যাকিং সার্ভিস লিওল্যাব্‌স। তারা জানিয়েছে, উৎক্ষেপণের পর কোনো উপগ্রহ অথবা মহাজাগতিক বস্তু যেন মহাকাশযানের ৬০ কিলোমিটারে মধ্যে না এসে পড়ে তা নজরে রাখা হয়। তা হলে তা মহাকাশযানের পক্ষে হয়ে উঠবে অত্যন্ত বিপজ্জনক।

এভাবে সংঘর্ষে হতে পারত দু`টি উপগ্রহের মধ্যে

জ্যোতির্বিজ্ঞানী অমিতাভ ঘোষ জানিয়েছেন, সংঘর্ষ হলে টুকরো টুকরো হয়ে যেত তুলনায় হালকা উপগ্রহটি। ফলে মহাকাশে কৃত্তিম উপগ্রহগুলোর কক্ষপথের একাংশে ‘স্পেস ডেব্রি’ বা মহাকাশের ধূলিকণার বিশাল ‘মেঘ’-এর জন্ম নিত। যে মেঘ কোনো মহাকাশযানের পক্ষে হয়ে উঠতে পারত অত্যন্ত বিপজ্জনক।

১৯৮৩ সালে ‘আইরাস’ উৎক্ষেপণ হয়েছিল। জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার ফলে উপগ্রহটি ঘুমিয়ে পড়েছিল (ডিকমিশন্ড) বেশ কয়েক বছর আগেই। অন্যদিকে ৫৩ বছর আগে ১৯৬৩ সালে উৎক্ষেপণ হয়েছিল ‘জিজিএসই-৪’। এটি মূলত ছিল একটি সামরিক উপগ্রহ। তবে বিজ্ঞান গবেষণার জন্যও তাতে ছিল একটি ‘পে-লোড’। তুলনায় অনেকটাই হালকা এটি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে