দুই কর্মকর্তার দ্বন্দ্বে কপাল পুড়লো এলাকাবাসীর 
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=192938 LIMIT 1

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২১ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

দুই কর্মকর্তার দ্বন্দ্বে কপাল পুড়লো এলাকাবাসীর 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫৩ ৯ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৫:৪৫ ৯ জুলাই ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ২৫টি প্রকল্পের ১৬০ মেট্রিক টন গম ফেরত দেয়া হয়েছে। 

২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কাবিখার দ্বিতীয় পর্যায়ের এ বরাদ্দ হয়েছিল। 

ইউএনও সাবরীন চৌধুরী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের ভাষ্যমতে, ইউএনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ৩০ জুন বরাদ্দগুলো ফেরত পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বরাদ্দ ফেরত দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

এ অবস্থায় বাতিল হওয়া প্রকল্পের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। 

রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান ফোরামের নেতারা বলছেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার জন্য প্রকল্পের বরাদ্দ ফেরত দেয়ার মাধ্যমে রায়পুরবাসীকে উন্নয়ন বঞ্চিত করা হলো। দ্বন্দ্ব নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। 

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে কাবিখা প্রকল্পের অধীনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের বরাদ্দে ১২টি প্রকল্পের বিপরীতে ৯৬ মেট্রিক টন, সংরক্ষিত আসনের এমপি সেলিনা ইসলামের একটি প্রকল্পের ৯ মেট্রিক টন ও উপজেলার ১০টি ইউপির ১২টি প্রকল্পের বিপরীতে ৫৫ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ হয়। 

রাস্তাঘাট ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে এসব বরাদ্দ হয়। 

রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান ফোরামের সভাপতি ও বামনী ইউপি চেয়ারম্যান তাফাজ্জাল হোসেন বলেন বরাদ্দ ফেরত যাওয়া রায়পুরের ইতিহাসে এ প্রথম ঘটনা। এ অবস্থা চলতে থাকলে সরকারের স্বাভাবিক উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে। চলমান সংকটগুলো নিয়ে ডিসির সঙ্গে বৈঠক করব। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ইউএনও গত ২৮ জুন রাতেও কাবিখার দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পের ১৬০ মেট্রিক টন বরাদ্দকৃত গম ছাড় দেয়ার কথা বলেছিলেন। পরে তার একগুয়েমির কারণে বরাদ্দগুলো ফেরত যায়।

ইউএনও সাবরীন চৌধুরী বলেন, বরাদ্দ ফেরত যাওয়ার ঘটনায় আমার কোনো গাফিলতি ছিল না। 

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ বলেন, দুই কর্মকর্তার সমন্বয়হীনতার কারণে বরাদ্দটি ফেরত গেছে। এতে রায়পুরের মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। 

এ বিষয়ে জানতে ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন, বরাদ্দ ফেরত যাওয়ার বিষয়টি অবগত না। তবে ইউএনও-পিআইওর মধ্যে দ্বন্দ্বের কথা শুনেছি। তাদের দ্বন্দ্ব নিরসনে কথা বলব।  

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে/আরআর