Alexa দাবদাহে বেড়েছে বেলের চাহিদা

ঢাকা, সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১১ ১৪২৬,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

দাবদাহে বেড়েছে বেলের চাহিদা

 প্রকাশিত: ২০:১৭ ২৮ এপ্রিল ২০১৮  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মেহেরপুরে বেল গাছে এখন নান্দনিক দৃশ্য। ডালে ডালে কাঁচা-পাকা বেল ঝুলছে। সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের একটি বেলগাছে ভরপুর হয়ে ঝুলতে দেখা যায় বেল। পথচারীরা মুগ্ধ হয়ে দেখছে।

বহু গুণের আধার রয়েছে বেলে।শরীর ঠান্ডা রাখে এ বেল। তীব্র দাবদাহের কারণে শরীর ঠান্ডা রাখতে মেহেরপুরে বেলের শরবতের চাহিদা বেড়েছে।  কেউ কেউ দুই মাস বেল বিক্রি করে জীবীকা নির্বাহ করে।

চলতি মৌসুমে অন্তত এক কোটি টাকার বেল বেচা কেনা হবে বলে জেলা কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন। 
বেল আমাদের দেশের দারুণ জনপ্রিয় একটি ফল। বেলে রয়েছে ভেষজ গুণ। বেল পেটের নানারকম রোগ সারাতে জাদুর মতো কাজ করে। কাঁচা বেল ডায়রিয়া ও আমাশয় রোগে ধন্বন্তরী ওষুধ হিসাবে বিবেচিত।

বেলে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাসিয়াম।

এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বিদ্যাদেবী সরস্বতীকে খুশি করতে বইয়ের পাতার মাঝে বেলপাতা রেখে দেন। হিন্দু ধর্মবলম্বীদের সব পূজার উপকরণ বেলগাছের পাতা। সরস্বতী দেবীর পায়ের কাছে যে পূজা দেয়া হয় সেখানে থাকে বেলপাতা। ওই বেলপাতা বইয়ের পাতায় রাখলে জ্ঞানবাড়ে বলে জানালেন সনাতন ধর্মের মুজিবনগরের শিক্ষার্থী পূজা রাণী। সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীদের কাছে বেল শ্রীফল নামে পরিচিত। 
মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুশিল চক্রবর্তী জানান, বেলপাতা বিদ্যাদান করে সত্যি তবে বইয়ের ভেতর যত্ন করে রাখার মধ্যে নয়। বরং প্রতিদিন ৩-৪টি পাতা ঘিতে ভেজে সামাণ্য মিছরি বা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। তবে বৃদ্ধদের নয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. আক্তারুজ্জামান জানান, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বেল চাষ না হলেও জেলায় যত বেলগাছ আছে তাতে অন্তত এক কোটি টাকার বেচাকেনা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর

Best Electronics
Best Electronics