‘দশ টাকার জন্য যা-তা শুনতে হয়’

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১২ ১৪২৬,   ২১ শাওয়াল ১৪৪০

‘দশ টাকার জন্য যা-তা শুনতে হয়’

নাজমুল হুদা, তিতুমীর কলেজ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:০২ ২২ মে ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রোজা রেখেও প্রখর রোদ সহ্য করেই রিকশা চালান রহিম মিয়া। পেট চালানোর জন্য শত কষ্ট সহ্য করেই তাকে কাজটি করতে হয়। অন্যথায় স্ত্রী আর ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ইফতার করা হবে না তার।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিরাপদে যাত্রীদের গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার পরও দর-কষাকষি ভাড়ার বাইরে মিলছে না অতিরিক্ত কোনো টাকা। অতিরিক্ত টাকা চাইলেই শুনতে হয় নানান কথা।

রাজধানীর খিলগাঁও, বাসাবো, কমলাপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় রহিম মিয়ার মতো অসংখ্য রিকশাচালক আছেন যারা প্রতিনিয়তই কষ্ট করছেন।

মিজান মিয়া নামে এক রিকশাচালক বলেন, রিকশা চালিয়েই সংসার চালাই। সব কিছুর দাম বাড়ছে। সংসারের খরচও বেড়েছে। ঈদে ছেলে-মেয়েদের জন্য জামা-কাপড় কিনতে হবে এর জন্য অতিরিক্ত টাকা রোজগার করতে হবে। কিন্তু আমরা দশ টাকা বেশি ভাড়া চাইলেই যা-তা শুনতে হয়। যদি কিছু টাকা বেশি দিয়ে অন্যরা সাহায্য না করে তবে কিভাবে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ঈদ করব।

রিকশাচালক গণি মিয়া বলেন, সড়কে তেমন যাত্রী নেই। খালি রিকশা নিয়ে বসে থাকতে হয়। বয়সও হইছে অনেক। দূরের যাত্রী নিতে পারি না। কাছের যাত্রী থেকে দশ টাকা বেশি চাইলেও দেয় অনেকেই দেয় না। রিকশার জমার টাকা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ভালোভাবে ঈদ করা হবে কিনা জানি না।

রিকশা মালিকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, পুরো দিনের জন্য একশ টাকা জমা রাখি। তবে যেসব রিকশাচালকের রোজগার কম হয় তাদের থেকে অনেক সময় কিছু কম রাখি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর