দলে আসা-যাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি: সাইফুদ্দিন

ঢাকা, রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২২ ১৪২৬,   ১১ শা'বান ১৪৪১

Akash

দলে আসা-যাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি: সাইফুদ্দিন

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩৮ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৯:৪০ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন

মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন

২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে। কিন্তু ইনজুরির কারণে বেশ কিছু দিন তাকে থাকতে হয়েছে মাঠের বাইরে। পিঠের ব্যথার কারণে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে কাটানোর পর আরো শক্তি সঞ্চার করে মাঠে ফেরার আশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বাংলাদেশে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ফিরতে যাচ্ছেন এই অলরাউন্ডার। ব্যাটিং ও বোলিং দক্ষতা দিয়ে সাইফুদ্দিন বাংলাদেশের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এই মুহূর্তে তিনিই বাংলাদেশের একমাত্র সিম বোলিং অলরাউন্ডার। যে কারণে দলে তার কদরও অন্য রকম।

এই কারণে টিম ম্যানেজমেন্টও চায় যত দ্রুত সম্ভব তিনি যেন ছন্দ ফিরে পান। সাইফুদ্দিনও চান নিজের এই প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে।

বাংলাদেশ দলের এই অলরাউন্ডার আজ সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন পর মাঠে ফেরার চাপ না নিয়ে এই ম্যাচটি আমার উপভোগ করা দরকার। গত পাঁচ মাস আমি দলের বাইরে ছিলাম। এর আগে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে দীর্ঘ আট মাস বাইরে কাটিয়েছি। এখন দলে আসা-যাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আশা করি এবারের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে পারব।

জিম্বাবুয়েকে তিন ম্যাচেই হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করতে চান সাইফুদ্দিন। তিনি বলেন, আমরা তাদের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে গেছি। তাই জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করা সম্ভব। টেস্ট ক্রিকেটেও আমরা ভাল পারফর্ম করেছি। ওয়ানডে ক্রিকেটেও সেটি করতে হবে। তাদের হোয়াইটওয়াশ করার অতীত অভিজ্ঞতাও আমাদের আছে। তবে এর নাম ক্রিকেট, এখানে কোন কিছুরই নিশ্চয়তা দেয়া যায় না।

পূর্ণ শক্তি দিয়ে খেললে ফের ইনজুরিতে পড়ার আশংকা থাকা সত্ত্বেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সামর্থ্যের শতভাগ দিয়ে খেলতে চান এই টাইগার অলরাউন্ডার। তিনি বলেন, কোনো খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেই ইনজুরিতে না পড়ার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। পিঠের ব্যথার কারণে আমি পুনর্বাসনে ছিলাম। কিন্তু আপনি হ্যামস্ট্রিং, হাঁটু কিংবা কুচকির ইনজুরিতেও পড়তে পারেন। তাই আমি ইনজুরি নিয়ে ভয় পাই না। এখন আমি পুনর্বাসনেও অভ্যস্ত হয়ে গেছি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এম