দর ভালো পেলেই লাভ চাষিদের

ঢাকা, রোববার   ১৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৩ ১৪২৬,   ১২ শাওয়াল ১৪৪০

দর ভালো পেলেই লাভ চাষিদের

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৪:৪৭ ৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৪:৪৭ ৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আমন ধান কাটার পর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এবছর বিভিন্ন জাতের সরিষার আবাদ করেছেন কৃষকরা।  আবাদি ক্ষেতে গুলোতে এখন  শুধুই সরিষা। কিছু দিনের মধ্যে শুরু হবে উঠানো ও মাড়াইয়ের কাজ। অনুকুল আবহাওয়ায় সরিষার ফলন যেমন পাবেন সেই সঙ্গে বাজার দর ভালো পাবার আশা চাষিরা। এতে ফসলের নিবিরতা বারার পাশাপাশি আর্থিক ভাবেও লাভবান হবেন তারা।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বেশিরভাগ জমিতেই এ বছর সরিষার আবাদ করা হয়েছে। নিচু পতিত জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর পরই সরিষার আবাদ করেন চাষিরা। এছাড়াও আমন ধান কাটার পর বোরো চাষের আগ পর্যন্ত ফাঁকা পড়ে থাকা জমিতে বাড়তি ফসল হিসেবে অনেক কৃষক সরিষার আবাদ করছেন। দিগন্ত মাঠ জুরে এখন শুধুই সরিষা আবাদ।

তালুক কানুপুর এলাকার চাষি  আব্দুল রহমান বলেন, বেশি ফলন পেতে কৃষকরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি উচ্চ ফলনশীল বারি-৯,বারি-১৪,বারি-১৫ ও টরি-৭ জাতের সরিষার আবাদ করেন। ঝামেলামুক্ত এবং অল্প খরচেই সরিষার আবাদ বেশ লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছরই সরিষা চাষ করছে। 

নাকাইহাট  এলাকার  সরিষা চাষি সোবহান আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ও রোগ বালাই কম হওয়ায় কৃষকরা এবছর কাঙ্খিত ফলন পাবার আশা করছেন। স্থানীয় জাতের সরিষা বিঘা প্রতি ৩ থেকে সাড়ে ৩ মণ ও উচ্চ ফলনশীল ৫ থেকে ৬ মণ পর্যন্ত উৎপাদন হয়। এবার উৎপাদিত সরিষার বাজার দর ভাল পাবার আশা করছেন চাষিরা। এ ফসল বিক্রি করে পারিবারিক দায়দেনা মিটানোর পাশাপাশি বোরো আবাদের খরচ মেটানোর আশা ফুলবাড়ীর  সরিষা চাষি কোব্বাত আলী। 

গোবিন্দগঞ্জ  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. ছাহেরা বানু বলেন- উপজেলায়  এ বছর ৪ হাজার ৫শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। স্থানীয় জাতের পরিবর্তে কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল সরিষা আবাদে কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করছেন তারা। এতে করে ফসলের নিবিরতা বাড়ানোর পাশাপাশি চাষিরা আর্থিকভাবেও লাভবান হবেন বলে তারা আশা করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম