দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নে তহবিল ব্যবহার নীতিমালা অনুমোদন

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৯ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২৪ ১৪২৭,   ২৪ রজব ১৪৪২

দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নে তহবিল ব্যবহার নীতিমালা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১৪ ৪ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৮:৩৬ ৪ নভেম্বর ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন- পিআইডি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন- পিআইডি

দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহার নীতিমালা- ২০১৯ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই নীতিমালাটির উদ্যোক্তা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভায় এই নীতিমালার অনুমোদন দেয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দক্ষ জনশক্তি একটি জাতির সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। একারণে দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শ্রমবাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদার লক্ষে দক্ষ জনশক্তি সৃজনের উদ্দেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই নীতিমালা করার উদ্যোগ নেয়।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দক্ষতার উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম, গবেষণা, সমীক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আর্থিক অনুদান দেয়। এক্ষেত্রে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের আবেদন যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি জানান, এরই মধ্যে অর্থবিভাগ জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল নামে একটি কোম্পানি গঠন করেছে। আর এই প্রস্তাবিত নীতিমালা জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল হতে অর্থ বরাদ্দের জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠান অথবা কার্যক্রম বা প্রশিক্ষণ প্রদানকারীদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কাজ করবে। অর্থ বরাদ্দ, প্রাপ্তি, প্রতিষ্ঠান সমূহের যোগ্যতা নির্ধারণ, প্রশিক্ষণার্থীকে উপবৃত্তি প্রদানের মানদণ্ড, দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত গবেষণা, সমীক্ষা ও উদ্ভাবন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান এবং তহবিলের জন্য আবেদন প্রক্রিয়ার তহবিলের জন্য দাখিল করা আবেদন নাকচ ইত্যাদির যথাযথ মূল্যায়ণে এই নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই তহবিল সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করার চলমান প্রক্রিয়া আরো বেগবান হবে। এতে বেকার সমস্যা নিরসন হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। এই নীতি অনুসরণ করে অর্থ বরাদ্দ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে