থানা হেফাজতে সন্দেহভাজন আসামির মৃত্যু, তদন্ত কমিটি গঠন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪২৭,   ১২ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

থানা হেফাজতে সন্দেহভাজন আসামির মৃত্যু, তদন্ত কমিটি গঠন

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:৫৩ ২৯ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০১:৫৪ ২৯ মার্চ ২০২০

নিহত শানু হাওলাদার (ফাইল ছবি)

নিহত শানু হাওলাদার (ফাইল ছবি)

বরগুনার আমতলী থানা হেফাজতে নিহত সন্দেহভাজন আসামি শানু হাওলাদারের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে থানায় নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে বরিশাল বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি একেএম এহসান উল্লাহকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 
 
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, বরিশাল রেঞ্জের এসপি মো. হাবিবুর রহমান ও বরগুনা অতিরিক্ত এসপি (সদর সার্কেল) মো. শাহজাহান হোসেন। শনিবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা আমতলী থানা পরিদর্শন করেছেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, শানু হাওলাদারের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে দাফনের আগে গোসল করানোর সময় তার (শানু হাওলাদারের) শরীরে বিভিন্ন স্থানে অনেক আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওসির দাবি করা ঘুষের টাকা না দেয়ায় শানু হাওলাদারকে পিটিয়ে হত্যা করেছে পুলিশ।
  
নিহত শানুর স্ত্রী ঝরনা বেগম বলেন, শানুকে যখন গোসল করানো হয়। তখন তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পুলিশের আঘাতে আমার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত মামলা করবো।

নিহত শানু হাওলাদারের ছেলে সাকিব হোসেন জানান, তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন ওসি আবুল বাশার। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাবাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনকারী ওসি আবুল বাশারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি তদন্ত কমিটির প্রধান একেএম এহসান উল্লাহ বলেন, ডিআইজি স্যারের নির্দেশে ঘটনা তদন্তে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম