থানায় যুবককে বেদম পেটালেন ডিসি ও তার স্ত্রী
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=74612 LIMIT 1

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৭ ১৪২৭,   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য

থানায় যুবককে বেদম পেটালেন ডিসি ও তার স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 প্রকাশিত: ১৬:০০ ৭ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:২১ ৭ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

থানায় ঢুকে পুলিশের সামনেই এক যুবককে এলোপাতাড়ি চড় মারছেন এক ব্যক্তি। তার সঙ্গে থাকা এক মহিলাও ওই যুবককে একের পর এক চড়-লাথি মারছেন। ওই সময় যুবক বার বার ক্ষমা চাইছেন। তাতে কার কি আসে যায়! চলতে থাকে বেদম মারধর।

রোববার প্রকাশ হওয়া ৫ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে এমনই দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওটি কিছুক্ষণের মধ্যেই ভাইরাল হয়। 

ঘটনাটি ভারতের আলিপুরদুয়ারের। যে ব্যক্তি ও মহিলাকে মারধর করতে দেখা যাচ্ছে তারা হলেন আলিপুরদুয়ারের ডিসি নিখিল নির্মল ও তার স্ত্রী নন্দিনী কৃষ্ণণ। আর যাকে মারধর করা হয়, তিনি ওই জেলারই বাসিন্দা। তার নাম বিনোদ। 

তবে কেন ওই যুবককে এভাবে এলোপাতাড়ি মারলেন ডিসি ও তার স্ত্রী? তার প্রতি কেন এতো ক্ষোভ? কী ছিল তার অপরাধ?

জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ফেসবুকে করা একটি মন্তব্যকে ঘিরে। যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ডিসির স্ত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করেছিলেন বিনোদ। তার বিরুদ্ধে ফালাকাটা থানায় অভিযোগ করেন ডিসি। এরপরই বিনোদকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। 

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই থানায় স্ত্রীকে নিয়ে হাজির হন নিখিল। থানায় তখন পুলিশ কর্মকর্তারাও ছিলেন। থানায় ঢুকেই বিনোদকে টেনে নিয়ে এসে মারধর শুরু করেন ডিসি ও তার স্ত্রী। পরপর চড় মারা হয় বিনোদকে। সেই সঙ্গে তাকে শাসাতেও থাকেন নিখিল ও নন্দিনী। 

ভিডিওতে দেখা যায়, ডিসি বিনোদকে বলছেন, ‘তোমায় যদি আধঘণ্টার মধ্যে থানায় ঢুকিয়ে দিতে না পারি, তা হলে তোমায় বাড়িতে গিয়ে মেরে ফেলতে পারি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমার জেলায় আমার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে না।’

ডিসির স্ত্রী নন্দিনীও কম যাননি। তাকে দেখা যায় ওই যুবককে চড়, লাথি-গুঁতো মারতে। পাশাপাশি হুমকি দিতে শোনা যায়, ‘কে বলেছে এই পোস্টটা দিতে? বলো। এত বড় কথা বলার সময় মনে ছিল না?’ বিনোদকে বার বার ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়। কিন্তু  এরপরেও মারধর করতে থাকেন নিখিল ও নন্দিনী।

পুলিশের কাছে বিনোদ জানিয়েছেন, ডিসির স্ত্রী তার ফেসবুক বন্ধু। কিন্তু তিনি যে ডিসির স্ত্রী সেটা জানতেন না। রোববার রাতে ফেসবুকে ডিসির স্ত্রীর সঙ্গে চ্যাট করছিলেন বিনোদ। সেখানে একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়। এরপর নন্দিনী তাকে একটি গ্রুপে অ্যাড করেন। সেই গ্রুপে বিনোদকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন অনেকে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর