Alexa তুচ্ছ ঘটনায় স্কুলছাত্রকে নদীতে ফেলে হত্যা

ঢাকা, বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৬ ১৪২৬,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

তুচ্ছ ঘটনায় স্কুলছাত্রকে নদীতে ফেলে হত্যা

 প্রকাশিত: ১৭:৫০ ৯ জুন ২০১৭  

কেরানীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে মো. ওমর ফারুক সজীব (২০) নামের এক স্কুল ছাত্র। সে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী শাখার ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্র। রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকা থেকে সে ওই এলাকাতে বেড়াতে গিয়েছিল। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোণ্ডা  ইউনিয়নের আইন্তা এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকা থেকে কয়েক বন্ধুর সঙ্গে আইন্তা সারিঘাট এলাকায় ঘুরতে আসে সজীব। এ সময় রিপন নামের স্থানীয় এক মুদি দোকানির সঙ্গে সজীবের কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা চলে যায়, পরে সজীব তার বন্ধুদের সঙ্গে ওই দোকানের পাশে খেলা করতে থাকে। এ সময় রিপন আরও কয়েক যুবককে ডেকে এনে সজীব ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা চালায়। বন্ধুদের সামনেই হামলাকারীরা গুরুতর আহত সজীবকে হাত-পা ধরে সারিঘাট ব্রিজের উপর থেকে বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়। সাঁতার না জানায় কিছুক্ষণের মধ্যেই পানিতে ডুবে যায় সজীব। এ সময় সজিবের অন্য বন্ধুরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় ঘণ্টাব্যাপী তল্লাশি চালিয়ে পানি থেকে সজীবকে উদ্ধার করা হয়। তাকে চিকিৎসার জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে  কর্তব্যরত চিকিৎসক সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে সুজন বলেন, "আমাদের বাড়ি রাজধানীর কদমতলী থানার ১০/১২ ঈদগাহ মসজিদ রোড এলাকায়। আমার বাবার নাম মো. মোবারক হোসেন। তিনি সৌদি প্রবাসী। আমার ছোট ভাই সজীব খুব নিরীহ প্রকৃতির। বৃহস্পতিবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে কেরানীগঞ্জ এলাকায় ঘুরতে গিয়ে নিহত হয়। আমি আমার ভাইয়ের এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করছি। " দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই মো. মফিদুল ইসলাম জানান, কয়েক বন্ধু মিলে সজীব কেরানীগঞ্জে বেড়াতে এসে রিপন নামের এক দোকানির সঙ্গে  ঝগড়ায় জড়িয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে  ময়নাতদন্তের জন্য তা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে সুজন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাত-আটজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরও বলেন, থানায় মামলা হওয়ার পর রাতেই বাসেদ নামের এজাহার নামীয় এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে। ডেইলি বাংলাদেশ/আইজেকে