Alexa তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

ঢাকা, রোববার   ২১ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৭ ১৪২৬,   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

ডাস্টবিনে ৩১ নবজাতকের দেহাবশেষ

তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

বরিশাল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১১ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৫:৪০ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সংগৃহীত

সংগৃহীত

বরিশাল শেরেবাংলা  মেডিকেল কলেজের ডাস্টবিন থেকে ৩১ নবজাতকের দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. খুরশীদ জাহান বেগম ও ওয়ার্ডের নার্স ইনচার্জ জোৎস্না আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হাসপাতালে পরিচালক ডা. বাকির হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাসপাতালে পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার উপকরণ হিসেবে অপরিণত শিশুর (ফিটাস) মরদেহ ব্যবহৃত হয়। সেগুলো এখন উপকরণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়। তাই এগুলো ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ফেলে দেয়ার পদ্ধতিটা ঠিক হয়নি। এগুলো মাটি চাপা দেয়ার কথা। কিন্তু সেটা না করে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়াটা অনুচিত হয়েছে। ফলে খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে প‌রিচ্ছন্নকর্মীরা ডাস্টবিন থেকে এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করেন।

এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল মোদাচ্ছের আলী কবির বলেন, রাতে হাসপাতালের পশ্চিম পাশে কেন্দ্রীয় পানির ট্যাংক সংলগ্ন ডাস্টবিনের ময়লা অপসারণ করছিলেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। এ সময় ময়লার ভেতরে বালতি ভরা অপরিণত শিশুর দেহাবশেষগুলো দেখতে পান তারা। পরে তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, অনেক মায়ের অপরিণত বাচ্চা জন্মায়। যা অনেক সময় পরিবারের লোকেরা নিয়ে যায়। আবার অনেকে ফেলে যায়। রেখে যাওয়া বাচ্চাগুলো দিয়ে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল ক্লাস নেয়া হয়। পরে তা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাটি চাপা দেয়া হয়। কিন্তু বাচ্চাগুলোর মরদেহ মাটি চাপা না দিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হলো কেন সে বিষয়টি আমার জানা নেই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর