Alexa তিন চাকায় দখল ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৫ ১৪২৬,   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

তিন চাকায় দখল ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

 প্রকাশিত: ১৮:৩২ ৩০ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ২২:৩২ ৩০ আগস্ট ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে থ্রি হুইলার অটোরিকশা, অটোটেম্পু ও সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল আইনত নিষেধ হলেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চলছে দাপটের সঙ্গে।

বর্তমানে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক সিএনজি অটোরিক্সার দখলে রয়েছে। প্রতিদিন এই মহাসড়ক দিয়ে অসংখ্য তিন চাকার যানবাহন চলাচল করছে। অথচ পুলিশ কিংবা অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহীনির পক্ষ থেকে এসব বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেদ নেয়া হচ্ছে না। পুলিশের পক্ষ থেকে শুধু মাত্র নির্দিষ্ট কিছু স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি মহসড়কের বিভিন্ন অংশে রয়েছে হাইওয়ে পুলিশের কিছু চেকপোস্ট। কিন্তু এসব চেকপোস্ট বসিয়ে এসব যানবাহন চলাচল বন্ধ করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি চেকপোস্টে কর্মরত কিছু সংখ্যক পুলিশ সদস্যর উৎকোচ এর বিনিময়ে এসব সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করতে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে।

অথচ কাগজে-কলমে এখনো এসব মহাসড়কে চলাচলে নিষেদাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তবুও সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ফিটনেসবিহীন এসব সিএনজি অটোরিক্সা। কখনও সোজা, কখনও উল্টো পথে চলাচলের ফলে বাড়ছে ঝুঁকি, বাড়ছে দুর্ঘটনা। সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক এসব যানবাহন চলায় প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় নানা দুর্ঘটনা। অকালে প্রাণ হারাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। সারা জীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করছেন অনেকে।

এ ব্যাপারে সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফলিক আহমদ বলেন, মহাসড়কে সিএনজি অটোরিক্সাসহ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আমরা বারবার প্রশাসনের কাছে অনুরুধ জানিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময় আমরা সভা-সমাবেশ করেছি। তবুও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মূলত কিছু সংখ্যক পুলিশ সদস্যর কারণে নিষিদ্ধ থাকার পরও মহাসড়কে এসব যানবাহন এখনো চলছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার নিরাপদ সড়ক করার লক্ষ্যে মহাসড়কে কিছু উদ্যেগ নিয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়ন করার দায়ীত্ব মাঠ পর্যায়ে লোকজনের। কিন্তু বিগত সময় আমরা দেখেছি চাপের মুখে কিছুদিন দায়ীত্ব ঠিকমতো পালন করলেও পরে তারা আর সেদিকে লক্ষ্যে রাখেন না। তিনি আরো বলেন, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এই সড়কে এসব তিন চাকার যানবাহন কোনো ভাবেই চলতে দেয়া যায় না। এছাড়া এসব যানবাহনের অধিকাংশই ফিটনেসবিহীন। এজন্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা। তাই এখনই এসব যানবাহন বন্ধে সংশ্লিষ্টদের কঠোর হতে হবে।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি বিমল চন্দ্র দাশ বলেন, লাকবল ও পরিবহন সংকটের কারণে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতারয়েছে। এসব কারণে অনেক সময় অভিযান, দুর্ঘটনা কিংবা অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়।

সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত এসপি (মিডিয়া) মাহবুবুল আলম খান বলেন, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। সড়কে যাতে কোনো ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল করতে না পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছি আমরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর